দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: যাকে দেখলে অপরাধীরা কাঁপতে থাকে। সেই আসানসোলের ক্রাইম বিভাগের অফিসার খোদ প্রশান্ত সাধুখাঁ নিজে এখন শিয়ালের আতঙ্কে আতঙ্কিত। আসানসোল কমিশনারেটের ক্রাইম বিভাগে কর্মরত প্রশান্তবাবুর বাড়ি হুগলির চুঁচুড়া খাগড়াজোলে। সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে একটু শান্তিতে কাটিয়ে যান। কিন্তু সেই শান্তিটুকু কেড়ে নিয়েছে ছয় ছয়টি শিয়াল ছানা। তাঁরই পুরনো বাড়ির একটি ঘরে মা শিয়াল ছয়টি ছানার জন্ম দিয়েছে। তাতেই রাতের ঘুম চলে গিয়েছে প্রশান্তবাবুর। চুঁচুড়ার বাড়িতে তিনি ছাড়া আর দ্বিতীয় কেউ থাকেন না। বাড়ির অদূরেই বন দপ্তর। কিন্তু তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে যথেষ্ঠ জ্ঞান আছে প্রশান্তবাবুর। তাই বন দপ্তরের উপর ভরসা না রেখে শনিবার তিনি ডেকে পাঠান স্থানীয় পশুপ্রেমী চন্দন ক্লেমেন্ট সিংকে।
[নাগরাকাটায় ৯ ফুটের চিতার চামড়া সমেত গ্রেপ্তার ২]
শনিবার খবর পেয়ে চন্দনবাবু ওই পুলিশ অফিসারের পাশে এসে দাঁড়ান। চন্দনবাবু প্রশান্তবাবুকে বলেন, “শিয়াল ছানাগুলি একদম দুধের শিশু। চারদিকে কংক্রিটের জঙ্গল গড়ে ওঠায় বন্যপ্রাণীদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে। তাই প্রশান্তবাবুর পুরনো এই নিরিবিলি বাড়িটিকেই নিরাপদ মনে করে মা শিয়াল সন্তানদের জন্ম দিয়েছে। মাস তিনেক বয়স না হওয়া পর্যন্ত নিজে থেকে শিকারও করতে পারবে না। যেদিন এরা শিকার ধরা শিখে যাবে, সেদিন এরা নিজে থেকেই চলে যাবে। তাই এখন যদি এদের অন্যত্র নিয়ে গিয়ে রেখে আসা হয় তবে মা শিয়াল ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ করে পারে। তাই চন্দনবাবু প্রশান্তবাবুকে দোতলা বাড়ির অন্য কোনও ঘরে পরামর্শ দেন। চন্দন নিজে গিয়ে দু’বেলা মা শিয়ালকে খাবার দিয়ে আসবে এবং দেখাশোনা করবে বলে আশ্বাস দিলে প্রশান্তবাবুর আতঙ্ক কাটে। ক্রাইম বিভাগের দাপুটে অফিসার প্রশান্তবাবু বলেন, “মা শিয়াল ও শিয়াল ছানাগুলি থাকলে তার কোনও অসুবিধা হবে না।”
[দৃষ্টান্ত! ৫ দিনের মেয়েকে নিয়ে স্বামীর শেষকৃত্যে মেজর]
সর্বশেষ খবর
-
আজ জানে কি জিদ না করো… চোখের জলে মহাকাব্যে ইতি টানলেন মহানায়ক রোনাল্ডো
-
লাস্ট ডান্সেও অধরা মাধুরী, স্পেনের কাছে হেরে শূন্য হাতেই বিশ্বকাপকে চিরবিদায় রোনাল্ডোর
-
কাচ বসানো বালা পরিয়ে বৃদ্ধার ৫০ লক্ষের হিরের গয়না হাতিয়ে পালায় আয়া! কী হল তারপর?
-
চুলের মুঠি ধরে মার! কলেজ প্রজেক্টের ছবি তুলতে গিয়ে হেনস্থার শিকার ৪ ছাত্রী
-
বাবা-ছেলেকে অপহরণ করে ১০ লক্ষ মুক্তিপণ দাবি! ধৃত ৩