Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬
Fresh flash flood in Malbazar's Mal river

মাত্র ২ দিনের ব্যবধানে মাল নদীতে ফের হড়পা বান, জলের তলায় সেতু ও রাস্তাঘাট

দশমীর রাতে মাল নদীর হড়পা বানে প্রাণ গিয়েছিল ৮ জনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২২, ০৯:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২২, ০৯:১১

options
link
মাত্র ২ দিনের ব্যবধানে মাল নদীতে ফের হড়পা বান, জলের তলায় সেতু ও রাস্তাঘাট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দশমীর রাতে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় মালবাজারের মাল নদী ভয়াল রূপ ধারণ করে। হড়পা বানে তলিয়ে প্রাণ যায় এলাকারই ৮ জনের। সেই ভয়ংকর স্মৃতি এখনও টাটকা। তারই মাঝে শনিবার রাতে ফের অঘটন। মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে মাল নদীতে আবারও হড়পা বান। যদিও এবার হতাহতের কোনও খবর নেই।

দিনকয়েক ধরে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির লাগাম নেই। একটানা অঝোর বৃষ্টিতে ভাসছে উত্তরের জেলাগুলি। নিম্নচাপের জেরে এমন আবহাওয়া বলেই জানান আবহাওয়াবিদরা। লাগাতার বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি নদীগুলিতে বাড়ছে জলস্তর। আর এই পরিস্থিতিতে মালবাজারের মাল নদীতে ফের হড়পা বান। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বদ্রীনাথের মাটি, মন্দাকিনীর জলে দেড় ফুটের লক্ষ্মী প্রতিমা গড়ে তাক লাগালেন পুরুলিয়ার শিক্ষক]

মাল নদীর পাশাপাশি কালিম্পংয়ের গরুবাথানের চেলখোলাতেও হড়পা বান। বানের জল ঢুকে কার্যত বিপর্যস্ত চেলখোলা। ভেসে গিয়েছে বহু দোকানপাট। সেতু, রাস্তাঘাটও জলের তলায়। স্বাভাবিকভাবে যান চলাচলেও তার প্রভাব পড়েছে।

উল্লেখ্য, দশমীতে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় মাল নদীতে হড়পা বানে প্রাণহানি ঘটেছে ৮ জনের। হড়পার স্রোতে ভেসে জখম হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন ১৩ জন। নতুন করে কোনও ‘মিসিং ডায়েরি’ হয়নি বলে দাবি জেলা প্রশাসনের। পঞ্চায়েত প্রধানদের থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছেন আধিকারিকরা। মাল নদীতে হড়পার প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের সঙ্গে উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয়রাও। তার ফলে ক্ষতি অনেক কম হয়েছে বলে মত জেলাশাসকের। প্রতিমা নিরঞ্জনের বন্দোবস্ত করার জন্য মাল নদীতে কৃত্রিম বাঁধ তৈরির অভিযোগ ওঠে। তবে সেই অভিযোগ খারিজ করে জেলাশাসক বলেন, “মাল নদীতে কৃত্রিমভাবে কোনও বাঁধ দেওয়া হয়নি। ভাসানের জন্য ‘চ্যানেল প্যাকিং’ করেছিল মাল পুরসভা।” প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কোনও পূর্বাভাস না থাকায় বিপর্যয় ঘটেছে বলেও দাবি জেলাশাসকের। আগামী দিনে বিপর্যয় মোকাবিলায় পাহাড়ে বৃষ্টিপাতের তথ্য দ্রুত হাতে পেতে চাইছে জেলা প্রশাসন।

[আরও পড়ুন: রাখে হরি মারে কে! মাঝগঙ্গায় ৫ দিন ভেসেও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার একরত্তি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.