Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

জমিদার ভাইয়ের মৃত্যুতে স্মৃতি খুইয়ে পথে পথে ঘুরছেন বৃদ্ধা

প্রোমোটারের চক্রান্তে জমিদার গিন্নি এখন অন্য বাড়ির রাঁধুনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৯, ১৬:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৯, ১৬:৪০

options
link
জমিদার ভাইয়ের মৃত্যুতে স্মৃতি খুইয়ে পথে পথে ঘুরছেন বৃদ্ধা zoom

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: প্রোমোটারের চক্রান্তে সর্বস্ব খুইয়েছিলেন জমিদার কর্তা।  বছর খানেক আগে এই মানসিক আঘাত সইতে না পেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ভাইয়ের মৃত্যুশোক ভুলতে না পেরে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন বোন ছন্দা পাল। বাধ্য হয়ে জমিদার গিন্নি মিনতি পালকে এখন লোকের বাড়ি রান্না করে সংসারের অন্যান্য সদস্যদের মুখে অন্ন তুলে দিতে হয়। শ্রীরামপুর ঠাকুরদাস বাবু লেনের জমিদার বাড়ির সেই ছন্দা পালকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুঁজে পাওয়া গেল। ৮৫ বছরের বৃদ্ধাকে চুঁচুড়ার হুগলি মোড় থেকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করলেন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা। তাঁদের তত্ত্ববধানেই বাড়ি ফিরলেন ছন্দাদেবী।

সংগঠনের কর্ণধার ইন্দ্রজিৎ দত্ত জানান, স্থানীয় মানুষ মঙ্গলবার সকাল থেকে হুগলি মোড় এলাকায় ওই বৃদ্ধাকে ঘুরে বেড়াতে দেখে। সন্ধ্যার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যান। স্থানীয়রাই বৃদ্ধাকে তাঁদের কাছে নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর একটু সুস্থ হলে বৃদ্ধা বারবার শ্রীরামপুর ঠাকুরদাস বাবু লেনের কথা বলতে থাকেন। বিষয়টি চুঁচুড়া থানায় জানানো হয়। পাশাপাশি শ্রীরামপুর এলাকায় খোঁজ নিতে বৃদ্ধার ভাইয়ের স্ত্রী মিনতি পালের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার রাতে মিনতিদেবী এসে তাঁর ননদকে বাড়ি নিয়ে যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মিনতিদেবী জানান, ঠাকুরদাস বাবু লেনে তাঁদের বাড়ি জমিদারবাড়ি বলেই সবিশেষ পরিচিত। স্বামী,  পুত্র ও অবিবাহিত দুই ননদকে নিয়ে ছিল তাঁদের সুখের সংসার। সেই সংসারেই নামে অশান্তির কালো মেঘ। যখন তাঁর স্বামী বাড়িটি প্রোমোটারের হাতে তুলে দেন। প্রোমোটার বাড়ি ভেঙে বহুতল আবাসন তৈরি করে। চুক্তি অনুযায়ী তাঁদের বাস করার জন্য দু’টি ঘর দিলেও পাওনা টাকার কানাকড়িও দেয়নি বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মারাত্মক আঘাত পান মিনতিদেবীর স্বামী। এক বছর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। অন্য এক ননদ নন্দাদেবী দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। এদিকে ভাইয়ের মৃত্যুশোকে ছন্দাদেবী স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। মিনতিদেবী জানান, ভাইকে ছোট থেকে কোলেপিঠে মানুষ করেছিলেন ছন্দাদেবী। মাঝে মধ্যেই ভাইকে খুঁজতে বেরিয়ে হারিয়ে যান। এর আগেও তিনি বেশ কয়েকবার হারিয়ে গিয়েছেন। একবার চুঁচুড়া ও একবার বারাকপুর স্টেশন থেকে তাঁকে খুঁজে আনা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.