স্টাফ রিপোর্টার: আজ, বুধবার জোট বেঁধে ঘর বদল করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট৷
গত সপ্তাহেই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতা হওয়ার স্বীকৃতি পেয়ে চিঠি পেয়েছেন আবদুল মান্নান৷ পরে স্পিকারকে ধন্যবাদও দিয়ে আসেন তিনি৷ সঙ্গে নিয়ে যান বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীকে৷ ঘর বদলের দিনেই বাম-কংগ্রেসের জোটের চিত্রকে তুলে ধরতে চাইছেন দু’দলের নেতারা৷ বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “বিরোধী দলনেতার ঘরে আবদুল মান্নানকে আমরা নিয়ে যাব৷ বিরোধী দলনেতার নির্ধারিত চেয়ারে তাঁকে বসিয়ে দিয়ে আসব৷ সেইসঙ্গে আমাদের ঘরও বদল করা হবে৷”
দলের তরফ থেকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে তাঁর নাম আগেই ঘোষণা করেছিল কংগ্রেস হাইকমান্ড৷ সেইমতো প্রদেশ কংগ্রেস থেকে চিঠি যায় বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে৷ তার পর বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে স্বীকৃতি চিঠি পেয়ে রবিবার দিল্লি চলে যান আবদুল মান্নান৷ সোমবার তিনি দেখা করেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে৷ মঙ্গলবার দেখা করেন কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে৷ দিল্লি থেকে ফিরেই তিনি বসবেন বিরোধী দলনেতার চেয়ারে৷
দীর্ঘ ২০ বছর পর কংগ্রেসের কোনও নেতা বসলেন এ পদে৷ ১৯৯৬ সালে কংগ্রেস থেকে বিরোধী দলনেতা হয়েছিলেন অতীশ সিনহা৷ তারপর আর সেভাবে রাজ্যে কংগ্রেস দাগ কাটতে পারেনি৷ এবারে বামেদের হাত ধরে ভোটে লড়ে বামেদের কাছ থেকেই বিরোধী দলনেতার পদ ছিনিয়ে নিল কংগ্রেস৷ আবদুল মান্নান বলেন, “আমরা সিপিএমের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটে লড়েছি৷ হাইকমান্ডের নির্দেশে জোট বেঁধেই আগামিদিনে লড়াই হবে৷ আর বিরোধী দলনেতার চেয়ারে বসার পর রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কাজ করব৷ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করব৷”
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন