Advertisement
Advertisement

বাজেট বেড়ে একশো কোটি, অর্ধ কুম্ভকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে গঙ্গাসাগর

দুর্ঘটনা ঘটলে তীর্থযাত্রী পিছু পাঁচ লক্ষ টাকা বিমা ঘোষণা রাজ্যের।

Gangasagar challenges Ardhakumbha on budget
Published by: Utsab Roy Chowdhury
  • Posted:January 5, 2019 9:44 am
  • Updated:January 5, 2019 9:44 am

দেবব্রত মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: হাতে গোনা আর কয়েকটি দিন। তারপর শুরু হবে গঙ্গাসাগর মেলা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। আর মেলাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ করতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ব্যবস্থা। পাশাপাশি বেড়েছে মেলার খরচও। গতবছরের থেকে এবারের মেলার খরচ বেড়ে এক লাফে হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। তা এ পর্যন্ত হওয়া সর্বকালের সেরা বাজেট।

[স্কুলে মিড-ডে মিলের রান্নাঘরে জোড়া গোখরো! দেখুন হাড়হিম করা ভিডিও]

তীর্থযাত্রীদের অপেক্ষায় সেজেগুজে প্রস্তুত রাজ্যের বৃহত্তম এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম গঙ্গাসাগর মেলা। ৯ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই মেলা চলবে। গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি নিয়ে শুক্রবার আলিপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করেন জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও। তিনি বলেন, গতবারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার আরও সতর্কতার সঙ্গে মেলাকে পরিবেশবান্ধব করার পাশাপাশি সুপার ক্লিন মেলা হিসাবে তুলে ধরা হবে। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে জেলাশাসক আরও বলেন, তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিয়েছেন কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে তীর্থযাত্রী পিছু পাঁচ লক্ষ টাকা বিমা থাকবে। বাবুঘাট থেকে গঙ্গাসাগর, যেখানেই দুর্ঘটনা হোক না কেন তীর্থযাত্রীরা এই বিমার সুবিধা পাবেন। জেলাশাসক বলেন, গত বছর বাঁশের ব্যারিকেড করা হয়েছিল। এই বছর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বাঁশের পরিবর্তে লোহার ব্যারিকেড করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি পুলিশি নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, এই বছর নিরাপত্তার জন্য ৩০ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-সহ ৮৯ জন ডিএসপি, ২৪০ ইন্সপেক্টর, ৩ হাজার কনস্টেবল, ২ হাজার হোমগার্ড, ১ হাজার সিভিল ডিফেন্স এবং ২ হাজার এনডিআরএফের কর্মী মোতায়েন থাকবেন।

Advertisement

[২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার নজরুলের চুরি যাওয়া মূর্তি, দুষ্কৃতীরা এখনও অধরা]

এদিন জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও আরও বলেন, গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে রেলের পক্ষ থেকে প্রিন্সেপ ঘাট থেকে প্রতিদিন দুটি করে স্পেশাল ট্রেন চলবে। রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের পক্ষ থেকে স্পেশ্যাল বাস থাকবে। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, এই বছর প্রথম গঙ্গাসাগরে স্পেশ্যাল আইসিইউ তৈরি করা হয়েছে। ৫০টি অ্যাম্বুল্যান্স এবং ১০০টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কাজ করবে। জরুরিকালীন পরিষেবার জন্য থাকবে হেলিকপ্টার পরিষেবাও। নিরাপত্তার নজরদারির জন্য রাখা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। থাকছে বেলুন ক্যামেরার নজরদারিও। গঙ্গাসাগর মেলাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত জেলা প্রশাসনের প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক মৃণাল রানো।

Advertisement

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ