Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Kalyani

লাগামহীন দুর্নীতি! পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলররা, ভেঙে গেল গয়েশপুর পুরবোর্ড

আপাতত পুর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট রবিশংকর গুপ্ত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ২৩:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ২৩:৫৪

options
link
লাগামহীন দুর্নীতি! পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলররা, ভেঙে গেল গয়েশপুর পুরবোর্ড zoom
Advertisement

সুবীর দাস, কল্যাণী: লাগামহীন দুর্নীতি, বেহাল পুর পরিষেবা, বোর্ড মিটিং ছাড়া ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ – এমনই হাজারও অভিযোগে কল্যাণীর গয়েশপুরের পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন দলেরই কাউন্সিলররা। এর জেরে শেষমেশ ভেঙেই দেওয়া হল বিরোধীশূন্য গয়েশপুরের পুরবোর্ড। বসানো হলো প্রশাসক। আপাতত পুর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট রবিশংকর গুপ্তকে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। জেলার রাজনৈতিক অন্দরে জোর চর্চা, ছাব্বিশের ভোটের আগে সর্বত্র শাসক শিবিরের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রাখতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এত কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

গয়েশপুরের পদ খোয়ানো পুরপ্রধান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়। নিজস্ব ছবি।

নদিয়া জেলার গয়েশপুর পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল পরিচালিত এই পুরসভাটি বিরোধীশূ্ন্য। কাউন্সিলরের সংখ্যা ১৮। এর মধ্যে ১১ জন কাউন্সিলরই দীর্ঘদিন ধরে পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে। নাগরিক পরিষেবা বিপন্ন করা, লাগামহীন দুর্নীতি, বোর্ড মিটিং ছাড়াই নিজের ইচ্ছেমতো পুরবোর্ড চালানো-সহ আরও কিছু অভিযোগ ছিল সুকান্তবাবুর বিরুদ্ধে। ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের কোনওরকম অডিট না করে, হিসেবনিকেষ না দিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো পুরসভার অর্থ তিনি ব্যয় করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এমন একাধিক অভিযোগ নিয়ে একাধিকবার সোচ্চার হয়েছিলেন গয়েশপুর তৃণমূলের ১৮জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১১ জন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে বারংবার সেকথা জানিয়েছিলেন।

Advertisement

তবে সম্প্রতি গয়েশপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়কে ওই পদ থেকে সরানোর আবেদন জানান তাঁরা। অবশেষে সব খতিয়ে দেখে পুরপ্রধানকে উদ্দেশ্য করে পুরো বোর্ডকে গত ১৬ ডিসেম্বর শোকজ লেটার পাঠায় রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন নিগম। সেই মতো ৭দিনের মধ্যে শোকজ লেটারের উত্তর দিয়েছিলেন পুরপ্রধান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সেই উত্তরে সন্তুষ্ট হয়নি রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন নিগম। ফলে শুক্রবার গয়েশপুর পুরসভার পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হল। বসানো হলো প্রশাসক। দায়িত্ব দেওয়া হল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট রবিশংকর গুপ্তকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.