Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬

রাজবেশে পিতলের রথে চড়লেন মা তারা

এই প্রসাদ গ্রহণ করলে পুনর্জন্ম হয় না বলে কথিত আছে৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৯:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৯:১১

options
link
রাজবেশে পিতলের রথে চড়লেন মা তারা zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: রথে চড়লেন মা তারা। সুভদ্রা বলরামের রথ যখন দেশ জুড়ে যাত্রা শুরু করেছে, তখন তারাপীঠে রথে চড়ে প্রদক্ষিণ করলেন মা তারা৷ পিতলের রথে চড়েই ঘুরলেন শনিবারের বিকালে। একইসঙ্গে মন্দিরের বাইরে মা তারাকে এদিন দর্শন করলেন ভক্তরা।

[স্কুলের মধ্যেই নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, চাঞ্চল্য মালদহে]

রথযাত্রায় তারাপীঠের এই রথে মা তারা কবে থেকে আসীন হয়েছেন তার কোনও ইতিহাস এলাকাবাসীর জানা নেই। তবে মন্দিরের সেবাইত প্রবোধ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বইয়ের সূত্রে তারাপীঠের বিখ্যাত সাধক দ্বিতীয় আনন্দনাথ এই রথের প্রচলন করেছিলেন বলে উল্লেখ আছে। সেই সময় একটি পিতলের রথ তৈরি করা  হয়েছিল। সেই রথেই আজও মা তারাকে চড়ান হয়। তখন থেকেই তারা মায়ের এই রথটি রাখার জন্য একটি রথ ঘর আছে। যুক্তফ্রন্টের আমলে ওই রথ ঘরের উদ্বোধন করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখোপাধ্যায়৷ সারা বছর ওই রথ ঘরেই পিতলের রথকে সংরক্ষিত রাখা হয়৷ এলাকাবাসীর কথায় মা তারার ভক্ত আশালতা সাধু খাঁ রথ ঘরটি তৈরি করে দেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[জলপাইগুড়িতে ক্রিকেটার নিখোঁজ রহস্যে বন্ধুর বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ]

প্রাচীন রীতি মেনে বুধবার বিকেলে মা তারাকে ওই রথে চাপানো হল৷ ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল চারটে৷ মা তারাকে মূল মন্দির থেকে বের করে রথে বসানো হয়। এদিন তারা মাকে সাজানো হয় রাজবেশে। তারপর সেই রথে বসিয়ে ঘোরানো হল তারাপীঠ। হাজার হাজার পূণ্যার্থী রথের রশিতে টান দেন৷ তারা মাতা সেবাইত সংঘের সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায়, সম্পাদক ধ্রুব চট্টোপাধ্যায় জানান, রথ কবে থেকে শুরু হয়েছিল তাঁর দিনক্ষণ এখন আর বলা সম্ভব নয়। তবে, প্রতি বছর মা তারাকে রথে চড়িয়ে তারাপীঠ প্রদক্ষিণ করিয়ে সন্ধ্যা আরতির আগে মূল মন্দিরে বসানো হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এই রথ থেকে ভক্তদের উদ্দেশে প্যাড়া, বাতাসা বিতরন কড়া হয়। সেই প্রসাদ পেতে ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। কারণ এই প্রসাদ গ্রহণ করলে পুনর্জন্ম হয় না বলে কথিত আছে। সেই বিশ্বাসে এবারও হাজার হাজার ভক্ত ভিড় জমিয়েছিলেন তারাপীঠ।

[বাধ্য হয়েই চৌর্যবৃত্তিতে ‘বান্টি-বাবলি’, আসানসোল থেকে গ্রেপ্তার প্রেমিক যুগল]

ছবি: সুশান্ত পাল৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.