Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Arambag

মিতালি বাগের বাড়ির কাছে তৃণমূলের পার্টি অফিসে সরকারি সামগ্রী! চুরির অভিযোগে সরব বিজেপি

সরকার বদল হতেই একে একে দুর্নীতির পর্দাফাঁস হতে শুরু করেছে! আরামবাগে তৃণমূলের পার্টি অফিসের তালা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৭:৩৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৭:৩৬

options
link
মিতালি বাগের বাড়ির কাছে তৃণমূলের পার্টি অফিসে সরকারি সামগ্রী! চুরির অভিযোগে সরব বিজেপি zoom
তৃণমূলের পার্টি অফিসে ঠাসা সরকারি সামগ্রী!

সরকার বদল হতেই একে একে দুর্নীতির পর্দাফাঁস হতে শুরু করেছে! আরামবাদগে তৃণমূলের পার্টি অফিসের তালা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সকলের! আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগে বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ঠাসা সরকারি ত্রিপল। আলমারিতে বোঝাই শস্য বীজের কাঁড়ি কাঁড়ি প্যাকেট। এই ঘটনা ঘিরে শোরগোল হুগলির গোঘাটের হাজিপুরে।

সোমবার সকালে গোঘাটের হাজিপুরে তৃণমূল পার্টি অফিসের তালা খুলতেই চোখ কপালে উঠেছে স্থানীয়দের। দেখা গেছে, পার্টি অফিসের ভিতরেই থরে থরে রাখা সরকারি লোগো লাগানো ত্রিপল। বস্তা বস্তা শস্য বীজ লুকিয়ে রাখা। এখানেই শেষ নয়, পার্টি অফিসের ঝকঝকে আলমারিতেও লুকিয়ে ছিল কাঁড়ি কাঁড়ি সামগ্রী। আলমারি খুলতেই দেখা যায়, সাদা থান থেকে একাধিক নতুন শাড়ি ঠাসা রয়েছে আলমারিতে। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারি সামগ্রী কেন তৃণমূলের পার্টিঅফিসে মজুত থাকবে? তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিজেপি কর্মীরা।

Advertisement

স্থানীয়দের অভিযোগ, “ওই পার্টি অফিসে মদ-মাংসের ফোয়ারা উঠত। সাধারণ মানুষ ওই পথে যাতায়াতও করতে পারত না। ঘর ভেঙে পড়েছিল ঝড়ে, কোনওদিন একটা ত্রিপল পাইনি। শৌচাগার নেই বাড়িতে। কতবার বলেছি, কথা কানেই তোলেনি। মিতালি বাগ বাড়ি বাড়ি গিয়ে অত্যাচার করেছে মহিলাদের। লাথি মেরে পাতের ভাত উলটে দিয়েছে। নতুন সরকার সব দেখুক।” যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের দাবি, “এই সরকারি সামগ্রীগুলো গরিব মানুষকে দেওয়ার জন্যই ব্লক থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল।” প্রসঙ্গত, ভোটের আগে আরামবাগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারের দিনই সেখানকার সাংসদ মিতালি বাগের গাড়িতে হামলা হয়েছিল। তার বদলা হিসেবে সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বলেছিলেন, “৪ তারিখ রাত ১২ টার পর সব হিসেব হবে। কার দিল্লির কোন বাবা এসে বাঁচায় আমিও দেখব।” ভোটের ফল প্রকাশ হতেই খুড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে রাজপাট। বেরিয়ে আসছে দুর্নীতির পাহাড়!

যদি তৃণমূলের দাবি সত্যি হিসেবে ধরেও নেওয়া হয়, তাহলে এত সামগ্রী কী কারণে পার্টি অফিসে মজুত করে রাখা হল দিনের পর দিন? দুর্যোগে কাঁচাবাড়ি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যেই তো ত্রিপল বিলির জন্য সরকারের তরফে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। কৃষকদের জন্য শস্য বীজের প্যাকেট বরাদ্দ করা হয়। তারপরেও সেগুলো কেন তৃণমূলের পার্টি অফিসে লুকিয়ে রাখা হল? তাহলে কি সরকারি সামগ্রী চুরির করে পার্টি অফিসে লুকিয়ে রাখার অভিযোগই সত্যি? এই সামগ্রী বাইরে বিক্রি করে রোজগারের অন্য পথ বেছে নিয়েছিলেন দলের লোকজনই? তেমনটাই প্রশ্ন উঠছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.