Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

যোগ দিবস পালনের নির্দেশ দিয়ে উপাচার্যদের চিঠি রাজ্যপালের, অন্ধকারে শিক্ষা দপ্তর

ফের রাজ্যপালের সঙ্গে সংঘাত সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৮, ১৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৮, ১৯:৪২

options
link
যোগ দিবস পালনের নির্দেশ দিয়ে উপাচার্যদের চিঠি রাজ্যপালের, অন্ধকারে শিক্ষা দপ্তর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বিশ্ব যোগ দিবস পালনের নির্দেশ দিয়ে উপাচার্যদের চিঠি। এ রাজ্যে ফের সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত প্রকাশ্যে চলে এল। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের ভূমিকায় ক্ষুদ্ধ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, শিক্ষা দপ্তরকে এড়িয়ে সরাসরি উপাচার্যদের চিঠি দিয়ে ঠিক কাজ করেননি রাজ্যপাল। শিক্ষামন্ত্রীর প্রশ্ন, তৃণমূল জমানায় প্রতি বছর আয়ূষ দপ্তরের উদ্যোগে রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস পালন করা হয়। তাই সরকারকে অন্ধকারে রেখে উপাচার্যদের কেন চিঠি পাঠালেন রাজ্যপাল?

[হাতিয়ার ‘পঞ্চায়েত সন্ত্রাস’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের পথে বিজেপি]

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদে আর কে নারায়ণনের মেয়াদ তখনও শেষ হয়নি। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এল বিজেপি। তড়িঘড়ি বেশ কয়েক রাজ্যের রাজ্যপাল পদেও রদবদল ঘটল। এ রাজ্যের নয়া রাজ্যপাল হলেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। বছর চারেকের কার্যকালে বারবারই বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কয়েক মাস আগে মালদহের ডিভিশনাল কমিশনারকে চিঠি দিয়ে বৈঠক ডাকার প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। বৈঠকে ডাকা হয়েছিল মুর্শিদাবাদের আইজিকে। এমনকী, বৈঠকে কী আলোচনা হবে, তাও চিঠিতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে এক্তিয়ার বর্হিভূত কাজের অভিযোগে তুলেছিল রাজ্য সরকার। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন শাসকদলের সাংসদরা। ফের একবার রাজ্যপালের সঙ্গে সরকার সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হল। কেশরীনাথ ত্রিপাঠির বিরুদ্ধে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

[বিজেপির শাসনে কেমন আছে ত্রিপুরা, পালাবদলের পর গল্প শোনাবেন মানিক]

কেন্দ্রে পালাবদলের পর, প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্ব যোগ দিবস পালন করে মোদি সরকার। দেশের সবকটি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যাল কর্তৃপক্ষ বিশ্ব যোগ দিবস পালনের অনুরোধ জানিয়ে চিঠিও পাঠায় কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। এবছর রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের আলাদা করে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠিও। চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালগুলিতে বিশ্ব যোগ দিবস পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুদ্ধ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শিক্ষা দপ্তরকে এড়িয়ে উপাচার্যদের চিঠি পাঠিয়ে ঠিক কাজ করেননি রাজ্যপাল। প্রতি বছর ২১ জুন আয়ূষ দপ্তরের উদ্যোগে রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস পালন করা হয়। রাজ্যপাল কেন আলাদা করে উপাচার্যদের চিঠি পাঠালেন?  এখন এই বিতর্কের জল কতদূর গড়ায়, সেটাই দেখার।

[রাস্তায় ফেলে তৃণমূল নেতাকে পিটিয়ে খুন আউশগ্রামে

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.