২৯ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিএ মামলার নিষ্পত্তিতে পিছু হঠতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে৷ স্যাটের নির্দেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রের সমহারে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দিতে হবে৷ আগামী ১ বছরের মধ্যে সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে৷ আর তাতে যে রাজ্যের কোষাগারে চাপ পড়েছে, তা বেশ বোঝা গেল মুখ্যমন্ত্রীর কথায়৷ শুক্রবার মধ্যমগ্রামে উত্তর ২৪ পরগনার প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি স্পষ্টই বললেন, ‘বেতন কমিশন অনুযায়ী টাকা দিতে হবে, সেটা সরকারের কাছে চাপের৷ টাকা দিতে আপত্তি নেই, টাকা থাকলে৷ কিন্তু সরকারের তো এত টাকা নেই৷ কষ্ট করে করতে হচ্ছে৷’

[আরও পড়ুন : সাফাইকর্মীর আত্মহত্যা, কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে কর্মবিরতিতে কৃষ্ণনগর পুরসভার কর্মীরা]

লোকসভার ভোট শেষের পর আজ থেকেই ফের শুরু হয়েছে জেলায় জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক৷ প্রথম শুরু হল উত্তর ২৪ পরগনা দিয়ে৷ সেখানেই রাস্তা নিয়ে এক জনপ্রতিনিধির প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, ‘ সব চাইলেই পাওয়া যায় না৷ সরকারের টাকার অবস্থা ভাল নয়৷ বেশি টাকা খরচ করতে দেওয়া যাবে না৷ এবছর আমাকে ৫৬ হাজার কোটি টাকা শোধ করতে হবে৷ এত কিছু বিনামূল্যে করতে হচ্ছে, এত টাকা কোথা থেকে আসবে?তবে ১২৩ শতাংশ ডিএ আমাদের সরকারই দিয়েছে৷’ ডিএ নিয়ে মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই যে তাঁর এই মন্তব্য, তা আর বুঝতে বাকি নেই কারও৷

রাজ্যের কোষাগার নিয়ে এসব বার্তা দেওয়ার পর অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী ফের নানা সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির খবর নেন৷ তফসিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষজন ঠিকমতো পরিষেবা পাচ্ছেন কি না, তা জানতে চান৷ এ প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, ‘আমার কাছে খবর আসছে, এসসি-এসটি সংক্রান্ত জন্মের সার্টিফিকেট দেখানোর পরও পরিষেবা দিতে গড়িমসি করা হচ্ছে৷ নানা টেকনিক্যাল কারণ দেখানো হচ্ছে৷ কেন এমনটা হচ্ছে?দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে পরিষেবা দিতে হবে৷’ একেবারে কড়া নির্দেশ দিলেন তিনি৷ জেলায় বৃষ্টি এবং চাষবাস সম্পর্কেও খবর নেন তিনি৷

[আরও পড়ুন : সেবকে দুর্ঘটনায় নিখোঁজ পর্যটকের দেহ মিলল কোচবিহারে]

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং