Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বৃদ্ধের আত্মহত্যা

পোষ্যের জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করছে নাতি, অভিমানে আত্মঘাতী বৃদ্ধ

নিজের ঘরেই আত্মঘাতী হন ওই বৃদ্ধ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ২০:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ২০:২১

options
link
পোষ্যের জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করছে নাতি, অভিমানে আত্মঘাতী বৃদ্ধ zoom
ছবি: প্রতীকী

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: বিদেশী কুকুরের খরচের বহর দেখে নিজের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হলেন ৯২ বছরের অভিমানী সুধীর দে নামে এক বৃদ্ধ। ঘটনায় হতবাক রাজনগরের বড়বাজার এলাকার বণিক পাড়ার বাসিন্দারা। রবিবার রাতে দোতলার শোওয়ার ঘরে ঘটনাটি ঘটে। গুলি গলা থেকে মাথা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সুধীরবাবুর। রাত্রেই রাজনগর থানার পুলিশ এসে রাইফেলটি বাজেয়াপ্ত করে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিউড়িতে আনা হয়।

কিন্তু কেন ৯২ বছরের বৃদ্ধ আত্মঘাতী হলেন? অতবড় রাইফেলে ট্রিগার টিপলেন কী করে? প্রতিবেশীরা জানান ৯২ বছর বয়স হলেও সুধীরবাবু সাবলম্বী ছিলেন। পাঁচ মাইল হেঁটে চলে যাওয়ার ক্ষমতা ছিল তাঁর। দৃষ্টি শক্তি ছিল স্বচ্ছ। কিন্তু সাত বছর আগে স্ত্রী বিয়োগের পর কিছুটা অবসাদ গ্রাস করেছিল তাঁকে। রাজনগরে ধানের কারবার থেকে ধীরে ধীরে বড় হার্ডওয়্যারের ব্যবসা করেছেন। সেই ব্যবসায় ছেলে সোমনাথ দে ও নাতির সঙ্গে পাশে চেয়ার নিয়ে একইসঙ্গে চালাতেন।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: যৌন আবেদন ভরা পোস্টারে ছবি ব্যবহার, পুলিশের দ্বারস্থ টেলি অভিনেত্রী ]

প্রতিবেশীরা জানান ব্যবসার খাতিরে বেশ কয়েকটি ট্রাক, ডাম্পার কেনে ছেলে। যা সুধীরবাবুর পছন্দের ছিল না। গত কয়েকমাস আগে নাতি একটি বিদেশী কুকুর আনে বাড়িতে। তার খাওয়া দাওয়া ও যত্নের খরচের বহর দেখে তিনি প্রায়ই বিরক্ত হতেন। অভিমান ছিল। বেশ কিছুদিন ধরে নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করছিলেন না। সোমবার বাড়িতে ছেলে ছিল না। চারদিন পরে বিশাখাপত্তনম থেকে সিউড়ি ফিরবেন। সে খবর জেনে নেন অভিমানী সুধীরবাবু। এদিকে সিউড়ি থেকে সোমনাথবাবু বাড়ি ফিরে অভিমানী বাবার সঙ্গে দেখা করতে দোতলায় যান। গিয়ে দেখেন বাবা বিছানার ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

নাতি প্রদীপ দে জানান, দিদিমা মারা যাওয়ার দাদু একটি অবসাদে ভুগতেন। কিন্তু অতবড় রাইফেলের ট্রিগার টিপলেন কী করে? প্রতিবেশী প্রাণতোষ ওঝা বলেন, ‘আমরা ঘরের ভিতর বন্দুকের সঙ্গে একটা লোহার রড পড়ে থাকতে দেখেছিলাম। সম্ভবত গলায় বন্ধুকের নল লাগিয়ে লোহার রড দিয়ে পায়ে করে তিনি ট্রিগার টিপেছেন।’

[ আরও পড়ুন: অশান্তির জেরে প্রেমিকার সামনেই মরণঝাঁপ, নদী থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.