Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
হ্যাম রেডিও

বুলবুলের দাপট উপেক্ষা করে বিপর্যয় মোকাবিলা, ভরসা হ্যাম রেডিও

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কাজ করেছেন হ্যাম রেডিও অপারেটররা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৭:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৭:৪৭

options
link
বুলবুলের দাপট উপেক্ষা করে  বিপর্যয় মোকাবিলা, ভরসা হ্যাম রেডিও zoom
Advertisement

শুভময় মণ্ডল:  যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অটুট রাখার চেষ্টা  চালিয়ে যান তাঁরা। বরাবর চেষ্টা করেন ক্ষয়ক্ষতি রোধের। বুলবুল মোকাবিলাতেও একই ভূমিকায় দেখা গেল সেই হ্যাম রেডিও ক্লাবকে। দুর্যোগের  মধ্যেও যোগাযোগ ব্যবস্থা অক্ষু্ন্ন রাখল পশ্চিমবঙ্গ হ্যাম রেডিও ক্লাব। ফলে বুলবুলের দাপটে নামখানা, কাকদ্বীপ, হিঙ্গলগঞ্জ, সুন্দরবন-সহ বিভিন্ন এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে গেলেও যতটা আশঙ্কা করেছিল করা হয়েছিল, ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলকভাবে তার থেকে অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। 

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস পেয়েই বুলবুল প্রতিরোধের সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছিল প্রশাসনিক আধিকারিকরা। পশ্চিমবঙ্গ হ্যাম রেডিও ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস জানিয়েছেন, বুলবুলের পূর্বাভাস পেয়েই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে অনুমান করে হ্যাম রেডিও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব দিয়েছিল পরিস্থিতি মোকাবিলার। নির্দেশ পেয়েই শুক্রবার সকালে কাকদ্বীপ, নামখানা-সহ উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে পৌঁছে যায় হ্যাম ক্লাবের সদস্যরা। সেখানে ক্যাম্প অফিসও খোলা হয়। এসডিও অফিস বারাকপুর ও চন্দননগরে ও কলকাতায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। বারাকপুরে ছিলেন প্রীতম দে। চন্দননগরে ছিলেন সৌরভ গোস্বামী। কলকাতার কন্ট্রোল রুমে ছিলেন অন্য হ্যাম অপারেটরা। গোটা বিষয়টি পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ হ্যাম রেডিও ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, ঝড় আছড়ে পড়ার আগে প্রশাসনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন হ্যাম কর্তৃপক্ষ। অস্থায়ী ক্যাম্পগুলিতে রাখা হয়েছিল প্রচুর শুকনো খাবার। যাতে কোনওভাবেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হয় সেই কারণেই প্রথম থেকেই প্রশাসনের তরফে ব্যবস্থা করা হয়েছিল ব্যাটারির। ফলে ঠিক যে মুহূর্তে আছড়ে পড়েছিল বুলবুল, সেই সময় বিদ্যুৎ নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ছিল হ্যাম অপারেটরদের মধ্যে। অম্বরীশবাবু জানান, প্রশাসন ও হ্যাম রেডিও অপারেটরদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই প্রাণহানি কয়েকগুণ রোধ করা সম্ভব হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এমনও হয়েছে গাছ ভেঙে পড়ার আগেই প্রশাসনের সহযোগিতায় সরিয়ে ফেলা হয়েছে ভগ্নপ্রায় গাছ। অর্থাৎ বুলবুল মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে হ্যাম রেডিও ক্লাব।

[আরও পড়ুন: বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বাধার মুখে বাবুল, দেখান হল কালো পতাকা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.