সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের গাছে মিলল বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ। এবার ঘটনাস্থল পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর (Mohanpur)। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, পুলিশের মদতেই তৃণমূল খুন করেছে ওই ব্যক্তিকে। তাই এক পুলিশ আধিকারিকের গ্রেপ্তারির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। যদিও শাষকদলের অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। তাঁদের সাফ কথা, “এর সঙ্গে শাসকদলের কোনও যোগ নেই।”
পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুরের বাসিন্দা ওই ব্যাক্তির নাম বাচ্চু। বিজেপি (BJP) কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত তিনি। কদিন ধরেই বেপাত্তা ছিলেন বাচ্চু। এই পরিস্থিতিতে সোমবার এলাকারই একটি গাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ যাওয়ার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। পুলিশকে দেহ উদ্ধারে বাধা দেন তাঁরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিজেপি কর্মীরা থানার সামনে দেহ রেখে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখায়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সুর চড়ান তাঁরা। দীর্ঘক্ষণ পর পুলিশের আশ্বাসে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি।
[আরও পড়ুন: মহামারী পরিস্থিতিতে বাঁচল ঐতিহ্যটুকুই, দুই বাংলার ভাসানের বিবর্ণ ছবি ইছামতীর বুকে]
বিজেপির জেলা সভাপতি সুমিতকুমার দাসের অভিযোগ, রাজনৈতিক হিংসার কারণে পরিকল্পনামাফিক বাচ্চুকে খুন করেছে তৃণমূল। তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে। এক বিজেপি নেতার অভিযোগ, গোটা ঘটনায় যোগ রয়েছে মোহনপুরের আইসির। সেই কারণে তাঁর গ্রেপ্তারির দাবিও জানিয়েছেন তিনি। তবে ঘটনার সঙ্গে শাসকদলের কোনও যোগ নেই বলেই দাবি পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল সভাপতির। তাঁর পালটা তোপ, “ভোট এগিয়ে আসছে বলেই দেহ খুঁজে বেড়াচ্ছে বিজেপি।” উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই গোঘাটের এক বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনাতেও নাম জড়িয়েছিল তৃণমূলের।
[আরও পড়ুন: বিজয়ার উপহার জেলাশাসকের, ফলভরতি ঝুড়ি ও শুভেচ্ছাবার্তা পেয়ে খুশি পুরুলিয়ার কোভিড রোগীরা]
সর্বশেষ খবর
-
দেহরক্ষী শেরাপুত্রের ‘গডফাদার’ সলমন! কোন ছবিতে অভিষেক আবিরের?
-
গণতন্ত্রে বিশেষ রাজনৈতিক মতবাদের গুরুত্ব ক্ষতিকারক
-
বাংলাদেশ আছে বাংলাদেশেই! দীপু দাসের পর ময়মনসিংহে মাদক বিরোধী কর্মীকে পুড়িয়ে ‘হত্যা’
-
শিলিগুড়ির পর বসিরহাট, মোবাইলের টাওয়ারে উঠে পড়লেন ‘মদ্যপ’ যুবক, তারপর…
-
কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকতে গেলে এবার মানতে হবে এই শর্ত, কেন বিরাট বদলের পথে বিসিসিআই?