Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Ashoknagar

পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতায়াতের পথেও ইভটিজিং! বাড়ি ফিরেই আত্মঘাতী মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী!

বাড়ি ফিরে সে খাওয়াদাওয়াও করেনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৪:৩৪

options
link
পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতায়াতের পথেও ইভটিজিং! বাড়ি ফিরেই আত্মঘাতী মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী! zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাকপুর: জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী ছিল সোনালি খাতুন। সোমবার প্রথম দিনের পরীক্ষাও দিয়েছিল ওই ছাত্রী। পরে রাতে ঘর থেকে উদ্ধার হল ওই ছাত্রীর গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মৃতদেহ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থানার গুমা এলাকায়।

অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করছিল এলাকারই যুবক। তাঁদের বিভিন্ন সময় বিয়ে করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। সেই বিষয়ে বিব্রত ছিল ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। সোমবারও পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তাকে উত্যক্ত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ মৃতার পরিবারের। তার জেরেই কি এই অঘটন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। জানা গিয়েছে, সোনালি খাতুন গুমা হাইস্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল। রাজীবপুর হাইস্কুলে তার সিট পড়েছিল।

Advertisement

সোমবার সে পরীক্ষা দিতে হাসিমুখেই বেরিয়েছিল ওই ছাত্রী। অভিযোগ, পড়শি যুবক প্রথম দিনের বাংলা পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময়ও ছাত্রীকে কটুক্তি করে। পরীক্ষা শেষে ফেরার পথেও ছাত্রীর রাস্তা আটকে কটুক্তি করার পাশাপাশি বিয়ে করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কোনওরকমে ওই যুবককে এড়িয়ে সে বাড়ি ফিরে এসেছিল। বাড়ি ফিরে সে খাওয়াদাওয়াও করেনি। নিজের ঘরের দরজা আটকে ভিতরে চলে যায়।

সন্ধে হয়ে গেলেও সোনালি ঘরের দরজা খোলেনি। বাড়ির লোকেরা বিস্তর ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পায়নি। ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে গেলে দেখা যায় তার ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত দেহ। তাকে উদ্ধার করে বারাসত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিঠসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ হাসপাতালে যায়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে তার মা মারা যায়। তারপর থেকে সোনালি মামারবাড়িতেই থাকত।

মৃতের মামা আশরব আলি মল্লিক বলেন, “পাড়ার ছেলেটি বারেবারে ভাগ্নিকে বিরক্ত করত। জোর করে বিয়ে করার জন্য চাপও দিত। আমরা বেশ কয়েকবার নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তাতে কান দেয়নি। ওর অত্যাচারেই আত্মহত্যা করল সোনালি।” অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে বলেও জানিয়েছে পরিবার। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.