সুমন করাতি, হুগলি: আন্দোলনের পরও বাঁচানো গেল না ব্যান্ডেল স্টেশনের সামনে দোকানগুলি। শুক্রবার গভীররাতে বুলডোজার নামিয়ে রেলের তরফে ভেঙে ফেলা হয় সমস্ত দোকান। হকারদের মালপত্র সরিয়ে নিতে বলেছিল রেল। তারপরই রাতে অভিযান চালানো হয়।
ব্যান্ডেল স্টেশনে অমৃত ভারত প্রকল্পের অধীনে কাজ শুরু হবে। সেই জন্য রেলের জায়গায় থাকা দোকানদার উঠে যাওয়ার জন্য নোটিস দেয় রেল। তা নিয়ে শুরু হয় আন্দোলন। রেলের এলাকায় বসবাসকারি বাসিন্দা ও দোকানদাররা পুর্নবাসনের দাবি তোলেন। তাঁদের সঙ্গে আন্দোলনে সামিল হন চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। গত তিনদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি করা হয়। ডেপুটেশন দেওয়া হয়। কিন্তু কিছুই কাজে এল না। শুক্রবার রাতে ভেঙে ফেলা হল দোকানগুলি।
বেশ কয়েকদিন আগেই রেলের তরফে থেকে নোটিস দিয়ে বলা হয়, দশ তারিখের মধ্যে রেলের জায়গা খালি করে দিতে হবে। অনেকে খালি করে দেন। রেল তাঁদের কথা শুনবে সেই আশায় অনেকে দোকান রেখে দেন। কিন্তু তা হয়নি।
রুটিরুজির একমাত্র সম্বল হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন হকাররা। প্রায় ৬০ বছর ধরে স্টেশনের সামনে হোটেল চালানো ব্যবসায়ী অপূর্ব মাইতি বলেন, “বাবা-ঠাকুরদার সময় থেকে আমাদের দোকান। রাতে সব গুড়িয়ে দিল। এই দোকানের উপরই নির্ভর করেই সংসার চলত। এখন কী করব তা ভাবছি।” আরেক ব্যবসায়ী বলেন, “সব শেষ হয়ে গেল। কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। সংসার চলবে কী করে? খাব কী জানি না।”
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?