Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
বজ্রপাত

বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের, বিভিন্ন প্রান্তে বেড়েই চলেছে মৃত্যু

নিম্নচাপের জেরে ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৯, ১৭:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৯, ১৭:৫৭

options
link
বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের, বিভিন্ন প্রান্তে বেড়েই চলেছে মৃত্যু zoom
ছবি: প্রতীকী।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি৷ সঙ্গে রয়েছে বজ্রাপাত৷ তার জেরে ইতিমধ্যেই মোট ১৩জনের মৃত্যু হয়েছে৷ নিহতদের মধ্যে আটজন পুরুলিয়ার বাসিন্দা৷ বাকি তিনজন দক্ষিণ ২৪ পরগনার এবং দু’জনের বাড়ি ঝাড়গ্রামে৷

[আরও পড়ুন: মিষ্টিতে মেলবন্ধন পতাকা-রাখির, স্বাধীনতা দিবসে নয়া আকর্ষণ বর্ধমানে]

সোমবার সকাল থেকে অঝোর বৃষ্টিতে ভিজছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবার সাতজেলিয়া৷ দুপুর থেকে বজ্রপাত শুরু হয়৷ সেই সময় জমিতে ধান চাষের কাজ করছিলেন বাবা শ্রীবাস মৃধা ও ছেলে হরিপদ মৃধা। আচমকা বাজ পড়ায় দু’জনই ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারাই তাঁদের উদ্ধার করেন৷ বাবা-ছেলের শোকে ভাসছেন পরিজনেরা৷ অন্যদিকে, সাতজেলিয়ার পরশমণি গ্রামে বাজ পড়ে মৃত্যু হয় কপিল মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির। তিনিও জমিতে চাষের কাজ করছিলেন। স্থানীয়রাই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।

Advertisement

ধবলাট গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবপুর গ্রামে দুপুরে ইদ উপলক্ষে মাঠে অনুষ্ঠান চলছিল। বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করছিল চোদ্দ বছরের আসমা খাতুনও। হঠাৎই আকাশ কালো করে ঝেঁপে বৃষ্টি নামে। শুরু হয় বজ্রপাত। মাঠ ছেড়ে যাওয়ার সময় বাজ পড়ে। মাঠের মধ্যেই লুটিয়ে পড়ে ওই নাবালিকা৷ তড়িঘড়ি অচেতন ওই কিশোরীকে রুদ্রনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে জানান।

[আরও পড়ুন: মৌসুমী বায়ু-ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলা, শ্রাবণ শেষে ভরপুর বর্ষার স্বাদ কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গে]

পুরুলিয়াতে মাঠে চাষের কাজ করার সময় বজ্রাপাতে মৃত্যু হয়েছে মোট আটজনের৷ নিহতদের মধ্যে মহিলারাও রয়েছেন৷ আচমকা বজ্রাপাতে মাঠে লুটিয়ে পড়েন তাঁরা৷ তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে ততক্ষণে সব শেষ৷ চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন হাসপাতালে আসার আগেই মৃত্যু হয়েছে প্রত্যেকের৷ একইসঙ্গে আটজনের মৃত্যুতে চোখের জলে ভাসছে গোটা এলাকা৷ প্রতিটি বাড়ি প্রায় শোকস্তব্ধ৷ বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছেন পরিজনেরা৷ এছাড়া ঝাড়গ্রামে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের৷

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.