Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Sanat Dey

অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার থেকে কোটিপতি! পার্থ ভৌমিক ‘ঘনিষ্ঠ’ নৈহাটির ‘ডন’ সনতের উত্থান যেন সিনেমা

তোলাবাজি থেকে জাল ওষুধ বিক্রি - সনৎ দে-র বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৪:৫১

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৪:৫১

options
link
অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার থেকে কোটিপতি! পার্থ ভৌমিক ‘ঘনিষ্ঠ’ নৈহাটির ‘ডন’ সনতের উত্থান যেন সিনেমা zoom
(বাঁদিকে) পার্থ ভৌমিক এবং (ডানদিকে) সনৎ দে। ফাইল ছবি
Advertisement

ঠিক যেন সিনেমা। প্রথম জীবনে ছিলেন অ্যাম্বুল্যান্সের হেল্পার। তবে পরবর্তীকালে নৈহাটির সেই সনৎ দে-ই হয়ে যান কোটিপতি। সাংসদ পার্থ ভৌমিকের ছত্রছায়ায় সনতের বাড়বাড়ন্ত বলেই শোনা যায়। তৃণমূলের সেই প্রাক্তন বিধায়ক সনৎকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বরাবর তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসাবেই পরিচিত ছিল সনৎ দে-র। পেশা ছিল অ্যাম্বুল্যান্সের সাহায্যকারী বা হেল্পার হিসাবে কাজ। গত ২০২১ সালে নৈহাটি টাউন তৃণমূল যুব সভাপতি হন তিনি। রাজনৈতিক কাজ করতে করতে তৎকালীন বিধায়ক পার্থ ভৌমিকের ‘সুনজরে’ পড়ে যান সনৎ। ২০২৪ সালে পার্থ ভৌমিক লোকসভা ভোটে দাঁড়ান। সাংসদ হন তিনি। বিধায়ক পদ শূন্য হয়ে যায়। পার্থ ভৌমিকের ‘ছায়াসঙ্গী’ সনৎকে বিধায়ক ভোটের উপনির্বাচনে টিকিট দেওয়া হয়। ভোটে লড়ে তৃণমূল বিধায়ক হন। এরপর ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও টিকিট দেওয়া হয় তাঁকে। একসময়ে কাউন্সিলরও ছিলেন সনৎ দে। এলাকায় ক্রীড়াক্ষেত্রে বেশ উন্নয়ন করেছেন বলেই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের।

Advertisement

তবে সনৎ দে-র বিরুদ্ধে অভিযোগও রয়েছে বিস্তর। শোনা গিয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তিকে কাজে লাগিয়ে নানা দুর্নীতি করে গিয়েছেন তিনি। তোলাবাজিতে নাকি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। আবার ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মামলাতেও নাম জড়িয়েছিল সনতের। আবার শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগও তুলেছেন। এরকমই একাধিক অভিযোগে কার্যত তটস্থ থাকতেন স্থানীয়রা। তৃণমূলের আমলে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। তবে পুলিশ সেই সময় তেমন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলেই অভিযোগ। সরকারের পালাবদলের পর থেকে সনৎ দে-র বিরুদ্ধে জনরোষ বিরাটাকার ধারণ করে। ছাব্বিশের ভোটের পর দলীয় কার্যালয় খুলতে গিয়ে ডিম হামলারও শিকার হন তিনি। ‘চোর, চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয় তাঁকে। শুক্রবার রাতে দত্তপুকুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তোলা হবে বারাকপুর আদালতে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.