সপ্তম পে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় আরও একধাপ এগোল রাজ্য সরকার। একাধিক শর্ত ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন। এই বিজ্ঞপ্তিতে বেতন কাঠামো, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, কেন্দ্রের সঙ্গে বেতন স্তরের সামঞ্জস্য, মহার্ঘ ভাতা, বাড়ি ভাড়া ভাতা এবং অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব। বর্তমানে ৩ শতাংশ বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। তা বেড়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। উত্তরোত্তর মূল্যবৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে নতুন বেতন কাঠামো তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের বেতন কাঠামোর সঙ্গে রাজ্য় সরকারি কর্মীদের বেতন স্তরের সামঞ্জস্য আনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে ৫ সদস্যের পরিবারকে ভিত্তি হিসাবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে পুষ্টির মানদণ্ড ধরা হয়েছে দৈনিক ৩ হাজার ৪৯০ ক্যালোরি। আগে যা ছিল ২ হাজার ৭০০ ক্যালোরি।
আরও পড়ুন:
মহার্ঘ ভাতার ক্ষেত্রে ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার’-এর সুপারিশ করার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে কমিশন। তাছাড়া রাজ্য সরকারি কর্মীদের বাড়ি ভাড়া, পরিবহণ ভাতা, শিশুদের শিক্ষাভাতা, হস্টেল ভরতুকি-সহ অন্যান্য ভাতা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় পে কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। অবসরকালীন সুবিধার ক্ষেত্রে একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। কমিউটেড পেনশন ১১ বছর পুনরুদ্ধার, অবসরের সময় ছুটির নগদীকরণ এবং ৩০ জুন অবসর নেওয়া কর্মীদের একটি ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে বেতন কমিশন এবং ডিএ নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা করা হয়। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। বাজেটের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করে দেন, দ্রুত সপ্তম পে কমিশন গঠন করবে সরকার। সেই ঘোষণা মতোই কমিশনের ‘টার্মস অব রেফারেন্স’ বা কাজের পরিধি ও দায়িত্বের খসড়া ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সরকারি, সরকার পোষিত এবং আধা সরকারি কর্মীদের বেতনবৃদ্ধি, পেনশনভোগীদের পেনশনবৃদ্ধি, কর্মীদের পদোন্নতি সব নীতিই নির্ধারণ করবে ওই পে কমিশন। আগামী ৬ মাসের মধ্যে কমিশনকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সরকারি কর্মীদের ডিএ এবং ডিআর বৃদ্ধির হারও নির্ধারণ করবে সপ্তম পে কমিশন। সব ঠিক থাকলে মাস ছয়েকের মধ্যে রিপোর্ট দেবে সপ্তম পে কমিশন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
তেইশ সালেই রাজনীতিকে বিদায়! এবার ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার বেরতেই কেন যোগীর দরবারে সানি দেওল?
-
এত লম্বা, সত্যি! চুলের দৈর্ঘ্য ৯ ফুট, গিনেস বুকে নাম উঠল উত্তরাখণ্ডের এলোকেশী কন্যার
-
প্রেমিকাকে সোনাগাছিতে বিক্রি যুবকের! ১০০ ডায়ালে ফোন পেয়ে একঘণ্টায় হাজির পুলিশ, তারপর…
-
তথ্য ভাঁড়িয়ে ভিসার আবেদন! ২ বছর নিষিদ্ধ পাকিস্তানের উঠতি ক্রিকেটার হামজা
-
‘নিষিদ্ধ’ গাঁজাকে বৈধতা নেপালের এক প্রদেশে! বাড়ছে ‘শুকনো’ বিহারে চোরাচালানের আশঙ্কা?