স্টাফ রিপোর্টার: ফের পিছিয়ে গেল টেট মামলার রায়৷ বুধবার টেট মামলার রায়দানের কথা থাকলেও এদিন রাজ্যের তরফে বেশ কিছু বক্তব্য উঠে আসায় রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি সি এস কারনান৷ মামলার রায়ের উপর নির্ভর করছে ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ৷ মামলা মিটে গেলেই অন্তত ৬৫ হাজার শিক্ষককে নিয়োগপত্র দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার৷
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রায়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী৷ এদিন রাজ্যের তরফে হাই কোর্টে জানানো হয়, ২০০৯ সাল পর্যন্ত অপ্রশিক্ষিতদের প্রশিক্ষিত করতে যে ইনস্টিটিউশনগুলি ছিল সেগুলি বৈধ ছিল না৷ বর্তমানে রাজ্যে ৪৩৭টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে৷ প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ৫০ জন প্রার্থীকে প্রশিক্ষিত করা যায়৷
২০১৫-র টেটের বিজ্ঞপ্তি হওয়ার সময় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত প্রার্থী ছিল না৷ যদিও রাজ্যের এই যুক্তির বিরোধিতা করেন মামলাকারীদের আইনজীবী সৌমেন দত্ত৷ এই মামলায় এর আগেই শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি সি এস কারনান৷ প্রাথমিক টেটে অপ্রশিক্ষিতদের নিয়োগের সময়সীমা পার হয়ে গিয়েছে ২০১৬-র ৩১ মার্চ৷ এরপর অপ্রশিক্ষিতদের নিয়োগ করানো যাবে না৷ এই দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করেন চিন্ময় দলুই৷
সর্বশেষ খবর
-
বিপর্যয় মোকাবিলায় পুজোর আগেই রাজ্যে ‘অর্জুন বাহিনী’, ‘অগ্নিবীর’দের জন্য বিশেষ সংরক্ষণ, ঘোষণা শুভেন্দুর
-
‘ধর্ষিতা মানেই জীবন শেষ নয়,’ ফের ‘পদ্মাবত’-এর জহর ব্রতর বিরোধিতা, কটাক্ষের শিকার স্বরা
-
আকাশে ওড়ার পরই ইঞ্জিন বিকল! গোয়ায় জরুরি অবতরণ দিল্লিগামী ইন্ডিগো বিমানের
-
‘ছেলেরা দেখেছে, তুমি লড়াই ছাড়োনি’, মেসিকে নিয়ে ‘গর্বিত’ স্ত্রী আন্তোনেল্লা, প্রয়াত বাবাকে স্মরণ মায়ের
-
স্বচ্ছ ‘বাংলা’ অভিযান! আজ থেকে রাস্তায় থুতু-প্রস্রাবে জরিমানা, জেনে নিন কীসে কত