Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Hooghly

বেসরকারি কলেজে ভর্তি করানোর নামে কয়েক কোটির প্রতারণা, ধৃত ব্যক্তি

১৮০ জন পড়ুয়ার থেকে টাকা তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ১৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ১৫:১৩

options
link
বেসরকারি কলেজে ভর্তি করানোর নামে কয়েক কোটির প্রতারণা, ধৃত ব্যক্তি zoom
ধৃতকে আজ তোলা হয় আদালতে। নিজস্ব চিত্র

সুমন করাতি, হুগলি: পড়ুয়াদের বেসরকারি কলেজে ডি. ফার্মে ভর্তি করানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে মূল অভিযুক্ত অমিতাভ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কয়েক কোটি টাকার প্রতারণা হয়েছে বলে খবর।

হুগলি জেলার পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীন এলাকার বাসিন্দা। তিনি উত্তর কলকাতার ডানলপ এলাকায় অ্যাচিভ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টার নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছিলেন। সেই সংস্থার মাধ্যমেই তছরুপ শুরু করেছিলেন তিনি। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতারণা শুরু করেছিলেন বলে খবর। পড়ুয়াদের বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন বেসরকারি কলেজে ফার্মাসিস্টে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হবে। এই বার্তা প্রচার করা হয়েছিল। সেই বার্তায় সাড়া দিয়ে বহু পড়ুয়াই ভর্তি হওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলেন। ভর্তি হওয়া তো দূরের কথা, টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, হুগলি জেলা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৮০ জন পড়ুয়ার থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। সিঙ্গুর থানা এলাকায় ন’জন পড়ুয়া ও হুগলির ৬০ জনের থেকে ২ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশের অনুমান, কয়েক কোটি টাকার প্রতারণা করা হয়েছে পড়ুয়াদের সঙ্গে।

Advertisement

সিঙ্গুর থানার পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীন এলাকার ওই বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা। তাঁকে গ্রেপ্তার করে সিঙ্গুর নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ব্যক্তি কি একাই এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িয়ে? নাকি কোনও বড় চক্র জড়িয়ে আছে সেই সংস্থার সঙ্গে? সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতকে এদিন চন্দননগর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.