সুব্রত বিশ্বাস: যাত্রী নয়। যাত্রীবাহী ট্রেনের কামরায় বেআইনি পণ্য পরিবহণই এখন রেওয়াজ। এই পণ্যের ঠেলায় মিথিলা এক্সপ্রেসে উঠতে গিয়ে শেওড়াফুলি স্টেশনে বাচ্চাকে নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান মধুমিতা গড়াই। যাত্রীরা তাঁকে কোনওরকমে বাঁচালেও এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রেলমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য টুইটে আবেদন জানান যাত্রীরা।
[বেতন কমানো হোক, কানাডার ডাক্তারদের আন্দোলনকে কুর্নিশ বিশ্বের]

অভিযোগ, প্রতিদিন শেওড়াফুলি স্টেশন থেকে বেআইনিভাবে শ’য়ে শ’য়ে বুকিংহীন বস্তা তোলা হয় মিথিলা ও অমৃতসর এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত কামরায়। যার জেরে চরম অসুবিধায় পড়েন যাত্রীরা। গত সপ্তাহে অন্তত ৩০টি অভিযোগ রেলের ঘরে জমা পড়ে এই বেআইনি কারবারের জন্য। সাময়িক চেকিং চললেও স্থায়ী সমাধানের কোনও পথ দেখতে পাচ্ছেন না যাত্রীরা। যাত্রীদের অভিযোগ, স্টেশনে কর্তব্যরত টিকিট পরীক্ষক, আরপিএফ ও জিআরপির মধ্যে লেনদেনের জন্য এই বেআইনি পণ্য ট্রেনে তোলা হয়। পণ্য আদান-প্রদানকারীদের কথায়, ঘুষ ছাড়া এক বিন্দু কাজ হয় না। টিকিট পরীক্ষকদের বস্তা পিছু দিতে হয় ৪০ টাকা। আরপিএফকে ২০ ও জিআরপিকে ২০ টাকা করে দেওয়া অলিখিত নিয়ম। তবেই অনুমতি মেলে পণ্য তোলার বিষয়ে।
[পাসপোর্ট পরিষেবা দুয়ারে, বারাকপুর পোস্ট অফিসে চালু অফিস]
শেওড়াফুলি দিয়ে চলাচলকারী নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, টিকিট পরীক্ষকদের ইনচার্জ গোলাম নবিকে বারবার জানানো হয়েছে। তারপরও তিনি কোনওরকম ব্যবস্থা তো নেননি বরং যাত্রীদেরই এজন্য দায়ী করেছেন। নবির বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ দিন তিনি একই জায়গায় থাকার ফলে ঊর্ধ্বতন অফিসারদের সক্রিয়তা নিয়ে সন্দিহান যাত্রীরা। কয়েক দিন ওই ট্রেনের শৌচালয়ে পণ্য বোঝাই হওয়ায় তা ব্যবহার করতে পারেননি যাত্রী বিকাশ যাদব। দুর্গাপুরে গিয়ে অভিযোগ জানানোর পর শৌচালয় থেকে পণ্য বের করা হয়। বিষয়টি রেলমন্ত্রীর টুইটেও জানান বিকাশবাবু। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। এভাবে জান হাতে নিয়ে কত দিন ঝুঁকির যাত্রা চলবে, জানেন না ভুক্তভোগী যাত্রীরা।
[আজব কাণ্ড! গোরক্ষপুরের ভোটার তালিকায় বিরাট কোহলির নাম]
সর্বশেষ খবর
-
‘প্লিজ, ছেড়ে যেও না’, নেইমারকে কাতর আর্তি বাবার, অবসর ভেঙে ফিরবেন ব্রাজিল মহাতারকা?
-
‘শুধু খেলতে আসিনি, দেখিয়ে দিলাম জিততে এসেছি’, বলছেন ব্রাজিল বধের নায়ক হালান্ড
-
পরিবারের জন্য অপরিহার্য পাঁচ জরুরি বিমা কভার, জেনে নিন বিস্তারিত
-
দুই রাজ্যে দুই সংসার, দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে ৪০ বছর পর প্রথমার সন্তানদের কাছে ফিরলেন মোতাহার
-
স্কুলেই জীবনরক্ষার পাঠ, রাজ্য সরকারের অভিনব এই উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়