Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ভোররাতে আচমকাই ধসে পড়ল বাড়ি, একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দার্জিলিংয়ে

নিহতদের মধ্যে এক বছর চারেকের শিশুও রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২০, ১২:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২০, ১২:৪৭

options
link
ভোররাতে আচমকাই ধসে পড়ল বাড়ি, একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দার্জিলিংয়ে zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: ভোররাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা দার্জিলিংয়ের লোধামায়। বাড়ি ধসে ঘুমের মধ্যেই মারা গেলেন একই পরিবারের তিনজন। শনিবার ভোরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গোটা পাহাড় তখন ঘুমে আচ্ছন্ন। হঠাৎই হুড়মুড় শব্দে ধসে পড়ল বাড়ি। সেই সময়ে বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন বাবা-মা ও চার বছরের শিশুপুত্র। তারা আর ভেঙে পড়া বাড়ির ভিতর থেকে বের হতে পারেননি। জ্যান্ত সমাধি ঘটে ঘুমের মধ্যেই। তবে বাড়ির বাইরে থাকায় বেঁচে যায় বাড়ির মেয়ে। একই পরিবারের তিনজনের ধসে চাপা পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার ভোররাতে লোধামা এলাকার আপার লিংসেবংয়ের তামাং গাঁওয়ের দুর্ঘটনাটি ঘটে। হঠাৎই শব্দ করে ভেঙে পড়ে ওই বাড়িটি৷ আর এই ধসে চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম নিমা দর্জি তামাং (৩৩), পেম দর্জি তামাং(২৯) এবং তাঁদের ৪ বছরের শিশুপুত্র নিহাল তামাং৷ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন৷ পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে খবর, শুক্রবার রাতে প্রতিদিনের মতো রাতে নিয়মমাফিক নৈশাহার সেরে শুয়ে পড়েন। আনুমানিক ভোর চারটে নাগাদ ওই বাড়িটি ধসে চাপা পড়ে। তার ফলেই মারা যান তাঁরা।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: দল আর ওয়ার্ড বদলেও প্রতিবার বাজিমাত, পুরভোটে নজরে পুরুলিয়ার ‘যাযাবর’ প্রার্থী ]

সকালে বাড়িটি ধসে ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ওই এলাকায় ভিড় জমান। খবর যায় পুলিশে। এরপর ধস সরিয়ে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার রাতে সেভাবে বৃষ্টি হয়নি পাহাড়ে। যা বৃষ্টি হয়েছে তাতে ধস নামাজ কথা নয়। তাহলে ধস নামল কীভাবে? এর উত্তরে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাহাড়ে পাইপ দিয়ে বাড়িতে বাড়িতে ঝরণার জল সরবরাহ হয়। এই জল মজুত করেন স্থানীয়রা। শুক্রবার রাতে কোনওভাবে কলের মুখ খোলা ছিল। রাতভর সেই জল গড়িয়ে পড়ে মাটির বাড়ির দেওয়াল ধসে যায়। তার ফলে এই বিপত্তি। তামাং দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে। দম্পতির ১২ বছরের মেয়ে সন্ধ্যা রাতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকায় প্রাণে বাঁচে।

[ আরও পড়ুন: আতঙ্কের মাঝে করোনা প্রতিষেধকের টোপ! ২০০০ জনকে ওষুধ খাইয়ে ধৃত তিন চিকিৎসক ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.