Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৪ জুন ২০২৬
Asansol

মহাকুম্ভের ট্রেনে ওঠার হুড়োহুড়ি, নয়াদিল্লির পর আসানসোল স্টেশনে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা

নয়াদিল্লি স্টেশনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫, ১৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫, ১৯:৫৯

options
link
মহাকুম্ভের ট্রেনে ওঠার হুড়োহুড়ি, নয়াদিল্লির পর আসানসোল স্টেশনে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা zoom

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: মহাকুম্ভের ট্রেনে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি। আসানসোল স্টেশনে চরম বিশৃঙ্খলা। ভিড় সামলাতে সতর্ক রেল প্রশাসন। অযথা হুড়োহুড়ি করবেন না, বারবার মাইকিং করা হচ্ছে। তবে তা সত্ত্বেও ভিড় সামলাতে গিয়ে বিপাকে রেলপুলিশ।

নয়াদিল্লি স্টেশনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রবিবার আসানসোল স্টেশনে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয় পূর্ব রেল। স্টেশনের বাইরে বিশেষ সহায়তা ক্যাম্প খোলা হয়। দড়ি দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টাও করা হয়। তবে তা সত্ত্বেও এদিন স্টেশনে আসানসোল-মুম্বই মেল ভায়া প্রয়াগরাজ ট্রেন আসামাত্রই বদলে যায় স্টেশনের পরিস্থিতি। দড়ি ছিঁড়ে ট্রেনের দিকে এগোতে থাকেন যাত্রীরা। তাতেই হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে। পালটা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে রেলপুলিশ। হুড়োহুড়ির জেরে বেশ কয়েকজন পড়ে যান। অল্পবিস্তর চোট পান অনেকেই। এরপর স্টেশন চত্বরে শুরু হয় মাইকিং। ট্রেনে ওঠার ক্ষেত্রে অযথা তাড়াহুড়ো না করার কথা বলা হয় যাত্রীদের। নয়াদিল্লি স্টেশনের মতো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে পুণ্যার্থীদের ভিড় সামাল দিতে বেশ কিছুটা বেগ পেতে হয় রেলপুলিশকে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, কুম্ভ যাওয়ার উদ্দেশে শনিবার রাতে শয়ে শয়ে মানুষ জড়ো হন নয়াদিল্লি স্টেশনে। আসলে নয়াদিল্লি স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন হয় সরাসরি কুম্ভে যাওয়ার কথা, নয়তো কুম্ভ হয়ে অন্য গন্তব্যে যাওয়ার কথা। সেই ট্রেনগুলির আশায় দাঁড়িয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। স্থানীয় সূত্রের দাবি, স্বতন্ত্রতা সেনানী এক্সপ্রেস এবং ভুবনেশ্বর-রাজধানী এক্সপ্রেস এই দুটি ট্রেনে প্রয়াগরাজ যাবেন বলে বহু মানুষ ১২ এবং ১৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু দুটি ট্রেনের কোনওটিই সময়মতো পৌছয়নি।

তার মধ্যে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে ট্রেনদুটি বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে কুম্ভের জন্য স্পেশাল ট্রেন প্রয়াগরাজ এক্সপ্রেস ঢুকে পড়ে ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। প্রয়াগরাজ এক্সপ্রেস আসতে দেখে ওই ট্রেনের যাত্রীরা তো বটেই বাকি দুটি ট্রেনের যাত্রীরাও হু হু করে ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দিকে ছুটতে থাকেন। সকলে একসঙ্গে ওই ট্রেনটিতে ওঠার চেষ্টা করলে অনেকে পড়ে যান। পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জনের প্রাণহানি হয়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিপর্যয়ের জন্য পরিকল্পনার অভাবকেই দায়ী করেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.