Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
বিজেপি

সদস্য সংগ্রহে বড় সাফল্য বিজেপির, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে সংখ্যা ছাড়াল ৮ লক্ষ

৩৭০ ধারা অবলুপ্তি উঠে আসছে গেরুয়া শিবিরে প্রচারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৯, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৯, ২০:০৭

options
link
সদস্য সংগ্রহে বড় সাফল্য বিজেপির, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে সংখ্যা ছাড়াল ৮ লক্ষ zoom
ফাইল ছবি

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: জঙ্গলমহলে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নজড়কাড়া সাফল্য পেল বিজেপি। দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে জঙ্গলমহলের দুই জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর ও পুরুলিয়ায় ৮ লক্ষের বেশি সদস্য হয়েছে। সর্বাধিক সদস্য সংগ্রহের তালিকায় দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাও রয়েছে। এদিকে, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা তুলে বঙ্গ সন্তান শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নকে সফল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্যজুড়ে প্রচার করে বাঙালি আবেগকে ধরতে চাইছে বিজেপি।

[আরও পড়ুন: প্রেমিকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র, ঘুমন্ত স্বামীকে শ্বাসরোধ করে খুন স্ত্রীর]

২০ আগস্ট রাজ্যে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান শেষ হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, বাংলায় মোট ৭৫ লক্ষের মতো সদস্য সংগ্রহ হয়েছে এবার। রাজ্য বিজেপির নেওয়া ১ কোটির লক্ষ্য পূরণ না হলেও দিল্লির দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা গিয়েছে বলে দাবি সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সহকারী দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্য বিজেপির অন্যতম সম্পাদক তুষারকান্তি ঘোষের। উত্তরবঙ্গেরও দুই জেলা মালদহ ও জলপাইগুড়িতে ৪ লক্ষের বেশি সদস্য সংগ্রহ হয়েছে। এই দুই জেলার পর সদস্য সংগ্রহের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কোচবিহার। সেখানে সদস্য হয়েছে তিন লক্ষাধিক। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে নজরকাড়া ফল করেছে গেরুয়া শিবির। তবে দক্ষিণবঙ্গে জঙ্গলমহলের দুই জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর ও পুরুলিয়ায় সর্বাধিক সদস্য সংগ্রহ হওয়াটা রাজনৈতিকভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

এদিকে, ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির সমর্থনে বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্য বিজেপির যুব সংগঠন যুব মোর্চা বাইক মিছিল করবে। বিভিন্ন জেলায় জাতীয় পতাকা হাতে এই বাইক মিছিল হবে। আজ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। কলকাতাতেও বাইক মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি দেবজিৎ সরকার জানিয়েছেন, জাতীয় পতাকা নিয়ে সাইকেল মিছিল আটকানোর চেষ্টা যদি পুলিশ করে তাহলে তার দায়িত্ব নিতে হবে প্রশাসনকেই। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও কাশ্মীর নিয়ে মোদি সরকারের ঐতিহাসিক পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে প্রচার চালাচ্ছে। দলের শাখা সংগঠনগুলিও প্রচার শুরু করেছে। শামাপ্রসাদ মুখেপাধ্যায়কে নিয়ে আলোচনাসভারও আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে। 

[আরও পড়ুন: সোনারপুরে জল জমার প্রতিবাদে বিক্ষোভে মদত তৃণমূলেরই দুই পুর প্রতিনিধির!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.