বিক্রম রায়, কোচবিহার: ফের ভূতুড়ে ভোটার পাওয়া গেল কোচবিহারের মাথাভাঙায়। কোনও এপিক কার্ডের ভোটারের নাম রয়েছে দিল্লিতে। আবার কোনও নম্বরে আছেন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। একের পর এক ভূতুরে ভোটারদের নাম উঠে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। মাথাভাঙায় কেন এত ভূতুড়ে ভোটার পাওয়া যাচ্ছে? সেই প্রশ্নও উঠছে।
আজ রবিবার সকাল থেকে কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের নেতৃত্ব ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনি করতে বেরিয়েছিলেন। মাথাভাঙা সাব ডিভিশনের ২ নম্বর ব্লকের বড়শোলামাড়ি এলাকায় তৃণনূল নেতা-কর্মীরা গিয়েছিলেন। ওই এলাকায় ৭৫ টি এপিক কার্ডে গোলমাল দেখা যায়। একই এপিক নম্বরে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের নামও পাওয়া যায়। ওই এলাকায় আরও এমন ভূতুড়ে কার্ডের হদিশ পাওয়া যেতে পারে। সেই আশঙ্কাও করা হচ্ছে। সিতাই এলাকায় এদিন ভোটার তালিকা নিয়ে বেরিয়েছিলেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনীয়া।
মাথাভাঙা শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে একইভাবে তালিকা নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব বেরিয়েছিলেন। দলীয় সূত্রে খবর, সেখানে প্রায় ২৫০ ভূতুড়ে ভোটারের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এক্ষেত্রেও কোনও ভোটারের ওই এপিক নম্বরে উত্তরপ্রদেশ-সহ অন্যান্য রাজ্যের ভোটারদের নাম পাওয়া গিয়েছে। এদিন বিকেলে কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষও নাটাবাড়ি বিধানসভা এলাকায় ভোটার তালিকা নিয়ে বেরিয়েছিলেন। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ এদিন বিকেলে সাহেবগঞ্জ এলাকায় বেরিয়েছিলেন। ঢেরা পিটিয়ে মাথাভাঙা বড়োদোলা এলাকায় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ ভুতুড়ে ভোটার খুঁজতে গ্রামে অভিযান চলে। উল্লেখ্য, শনিবারও মাথাভাঙা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভূতুড়ে ভোটার পাওয়া গিয়েছিল।
সর্বশেষ খবর
-
স্টেশনে নেই পর্যাপ্ত জল, কাজ করেনি অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও, দমকলের অভিযোগে কী যুক্তি রেলের?
-
‘চিনা সরকারই দায়ী’, নেপাল বিপর্যয় থেকে বেঁচে ফিরে বেজিংকে দুষছেন উত্তরপাড়ার পর্যটক
-
রেললাইনের ফিটনেস চেক! দুর্ঘটনা এড়াতে বিরাট উদ্যাগ রেলের, শিয়ালদহে ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ মেশিন
-
মহাপ্রলয়ে মৃত ৯০৩, তিন মাস আগে হিমবাহের তথ্য চেয়েছিল নেপাল, চিনের গড়িমসিতেই বিপর্যয়!
-
বারাসতে বড় ম্যাচ ঘিরে হঠাৎই জটিলতা, ৬ সেপ্টেম্বর নৈশালোকে ডার্বির চেষ্টা আইএফএ-র