ধীমান রায়, কাটোয়া: লকডাউনের জেরে অর্ডার নেওয়া মূর্তি, গয়না তৈরি হয়ে গেলেও তা পড়েই রয়েছে। কবে বিক্রি হবে তা এখনও অনিশ্চিত। তার ওপর দুর্গাপুজোর বরাত পাওয়ার আশা যে এবছর নেই, তা বেশ ভালই বুঝেছেন শিল্পীরা। এমন পরিস্থিতিতে লকডাউনের জেরে চরম সংকটে পড়ে রাতের ঘুম ছুটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রামের ডোকরা শিল্পীদের।
আউশগ্রামের দারিয়াপুর ডোকরাপাড়ায় শতাধিক পরিবার ডোকরা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২০-২২ টি পরিবার লকডাউনের অনেক আগে থেকেই বেশকিছু মূর্তি, গয়না ইত্যাদি তৈরির বরাত নিয়েছিলেন। নিদির্ষ্ট সময়ে সেগুলি তৈরিও হয়ে গিয়েছে। ডোকরা শিল্পী রামু কর্মকারের কথায়, “আমাদের ২০-২২ জন শিল্পী মিলে প্রায় ৭-৮ লক্ষ টাকার বরাত নিয়ে রেখেছিলাম। সামান্য টাকা অগ্রিম পাওয়ার পর নিজেদের পুঁজি ভেঙে কাঁচামাল কিনে বরাতের জিনিসপত্র তৈরি করে ফেলেছি। এখন ওই মহাজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা বলে দিয়েছেন লকডাউন ওঠার পর ভাবনাচিন্তা করবেন। আমাদের টাকা
শেষ। কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।”
[আরও পড়ুন: সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষা করে চড়কের মেলায় ভিড়, সামলাতে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ]
দারিয়াপুরের ডোকরা শিল্পীরা জানান, এপ্রিলের শেষের দিক থেকেই তাঁরা দুর্গাপুজোর মূর্তি, মডেল তৈরির বরাত পেয়ে যান প্রতিবছর। কিন্তু এবছর কেউ যোগাযোগই করেননি। তার সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এমনকী ভিনরাজ্যে সরকারি, বেসরকারিভাবে আয়োজিত হস্তশিল্পের মেলায় ঢোকরা শিল্পের সামগ্রী বিক্রি করে থাকেন তাঁরা। এবছর সেই সুযোগও বন্ধ। কী পরিণতি হতে চলেছে, সেই দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে ডোকরাপাড়ার বাসিন্দাদের।
ছবি: জয়ন্ত দাস
[আরও পড়ুন: আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টিতে ভিজবে সুন্দরবন এলাকা, পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক