৫ মাঘ  ১৪২৫  রবিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: সংস্কার হবে, তাই ১০ দিনের জন্য ঘর বদল। তারাপীঠের গর্ভগৃহ থেকে তারা দেবীর বিগ্রহ অন্যত্র সরানো হল। পাশের শিবমন্দিরে রেখেই নিত্য পূজা হবে। মন্দিরে সংস্কারের কাজের জন্য এই পরিবর্তন বলে জানিয়েছেন তারাপীঠ সেবাইত কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায়। চলতি মাসেই এই কাজ সম্পূর্ণ হবে। তারপর সেই মন্দিরেই ফিরিয়ে আনা হবে দেবীকে। এমনই তথ্য দিয়েছেন তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় ।

বছর তিনেকের মধ্যেই তারাপীঠের আমুল পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। নতুন আঙ্গিকে সেজে উঠেছে হিন্দুদের এই পবিত্র পীঠস্থান। রাস্তা চওড়া হয়েছে, নতুন করে তৈরি হচ্ছে প্রবেশ তোরণ। মন্দির চত্বরে নতুন সাজ। যাত্রীদের পুজো দেওয়ার জন্য সাবওয়ে তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থক্ষেত্র ঘিরে এই পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা সফরে রামপুরহাটে গিয়ে তিনি তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করে দেন। গত সপ্তাহে বোলপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে তারাপীঠের সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বৈঠক চলাকালীনই তারাপীঠে ঘোরার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। আর তারপর থেকেই তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের কাজের গতি বেড়ে গিয়েছে।

                                         [বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য মঞ্চে এবার শামিল জেলার ক্ষুদ্র শিল্পপতিরা, উদ্যোগ প্রশাসনের]
ইতিমধ্যে দেবীর ভোগ রান্নার জ্বালানির জন্য সৌরচুল্লি বসানো হয়েছে। এবার পরিকল্পনা মাফিক মায়ের গর্ভগৃহ সংস্কারের জন্য মূল মন্দির থেকে মাতৃবিগ্রহ সরানো হয়েছে। উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, “তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের কাজ দ্রুতগতিতেই চলছে। দ্বারকা নদীর পাড় বাঁধানো হয়েছে। রাস্তা চওড়া করা হয়েছে। নতুন নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তার দু’ধারে আলো লাগানো হয়েছে। মন্দির চত্বর আমুল পরিবর্তন করা হয়েছে। মা তারাকে মূল মন্দির থেকে সরিয়ে নিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হয়েছে।দিন দশেকের মন্দির রং করে ফের মা তারাকে মূল মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে”। মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, “আগেও মন্দির সংস্কারের জন্য মা তারাকে শিবমন্দির সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কারণ বিগ্রহ মন্দিরে রেখে তো সংস্কার করা যায় না। এতে দর্শনার্থীদের কোনও অসুবিধা হবে না। শিবমন্দিরেই ভক্তরা নিশ্চিন্তে পুজো দিতে পারবেন।” তারাপীঠ মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ফের গর্ভগৃহে দেবীকে অধিষ্ঠিত করা হবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং