Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
CITU

রেলের জায়গায় ‘অবৈধ’ পার্টি অফিস! পূর্বস্থলীতে বুলডোজারে ভাঙল DYFI, CITU কার্যালয়

বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৫, ২১:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৫, ২১:৪৭

options
link
রেলের জায়গায় ‘অবৈধ’ পার্টি অফিস! পূর্বস্থলীতে বুলডোজারে ভাঙল DYFI, CITU কার্যালয় zoom

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: রেলের জমিতে ‘অবৈধভাবে’ সিপিএমের যুব ও শ্রমিক সংগঠনের অফিস। দিনকয়েক আগে তা ভাঙার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তার প্রতিবাদে কয়েকশো কর্মী, সমর্থক নিয়ে রেলকে স্মারকলিপিও পাঠানো হয় ডিওয়াইএফআই, সিটুর তরফে। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। রেলের তরফে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা পূর্বস্থলী ১ ব্লকের সমুদ্রগড় স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকা ডিওয়াইএফআই ও সিটুর একটি অফিস। সরিয়ে দেওয়া হল হকারদের দোকানগুলি। বুধবার এমনই এক ঘটনাকে ঘিরে বামকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

পার্টি অফিস ভেঙে ফেলার পিছনে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের উসকানি ও মদত দেওয়ার অভিযোগ তোলে বাম নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূল অভিযোগকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। রেলের জায়গা দখল করে বসে থাকা এই অফিসকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিকমহলে। এই বিষয়ে সিটু নেতৃত্বের দাবি, এদিন হকারদেরও উচ্ছেদ অভিযান চালায় রেল পুলিশ। তাদের স্বার্থেই এই অফিস। তারাই যদি না চায়, তারাই যদি (সম্মুখ সমরে) এগিয়ে না আসে তাহলে এই অফিস থাকার যৌক্তিকতা নেই।

Advertisement

তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এলাকায় বামেদের কোনও জনসমর্থনই নেই। তাই তারা কাউকেই পাশে পায়নি। এদিন সেই ছবিই আরও একবার পরিষ্কার হয়ে যায়। পূর্বস্থলী ১ ব্লকের সিটুর সম্পাদক শ্যামল চৌধুরী বলেন, “হকার ভাইদের স্বার্থেই এই অফিস ছিল। গরীব ভাইদের রুটিরুজি ও পেটে যাতে হাত না পড়ে তাই হকার উচ্ছেদ প্রতিরোধে গত ২১ মে স্টেশন ম্যানেজারকে একটি ডেপুটেশন দেওয়া হয়। কোনও কথাই তারা শুনলেন না। হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি, আমাদের অফিসটাও ভেঙে দিলেন। তবে অফিস ভাঙার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের উস্কানি ও মদত রয়েছে।” যদিও অফিসটি অবৈধভাবে রেলের জায়গায় ছিল বলে তিনি তা স্বীকার করে নেন।

তালা বন্ধ অফিসে থাকা টিভি, ফ্যান ও আসবাবপত্র থাকা অবস্থাতেই তা ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ সিটুর। অন্যদিকে পূর্বস্থলী ১ ব্লক তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা আইএনটিটিইউসির সভাপতি পরিমল দেবনাথ বলেন, “ বামেরা সকল স্তরের মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ ওদের ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। কোনও সমর্থনই ওদের নেই। সেটা আজ ফের প্রমাণিত। বরং তৃণমূল সরকার মানুষের অধিকারকে সুরক্ষিত করেছে। অবৈধভাবে রেলের জায়গায় ওই কার্যালয়টি ছিল। তাই ভেঙে দিয়েছে। আমরা এই বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। বরং আমরাই হকারদের উচ্ছেদ রুখতে ডেপুটেশন দিয়েছিলাম।” এদিন অস্থায়ী দোকানের বেশিরভাগ দোকানই নিজে থেকে সরিয়ে নেন ব্যবসায়ীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.