Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬
BJP-VHP

পার্টি অফিস শুদ্ধিকরণে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ! বিজেপি বনাম ভিএইচপির ‘দ্বন্দ্ব’ ভাইরাল

বর্ধমানে বিজেপির পুরনো সভাপতিকে সরিয়ে দেওয়ায় আনন্দিত ভিএইচপি-র একাংশের এই কাজ বলে জানা যাচ্ছে।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ১৮:১০

link
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ১৮:১০

options
link
পার্টি অফিস শুদ্ধিকরণে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ! বিজেপি বনাম ভিএইচপির ‘দ্বন্দ্ব’ ভাইরাল zoom
২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার। বর্ধমানে বিজেপি কার্যালয়ে শুদ্ধিকরণ বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতার, নিজস্ব ছবি
Advertisement

বর্ধমানে জেলা বিজেপির কার্যালয়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের! সোশাল মিডিওয় এই ভিডিও ভাইরাল হতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা বিজেপি নেতৃত্ব কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। অন্যদিকে, ভিএইচপি এনিয়ে নিজেদের যুক্তি দেখিয়েছে। তাদের বক্তব্য, পার্টি অফিস মন্দিরের মতোই পবিত্র। তাই গঙ্গাজল ছিটিয়ে সেখানে প্রবেশ করেছেন নেতারা। তবে এই ঘটনায় যে বিজেপি ও ভিএইচপির চোরা দ্বন্দ্বের প্রতিফলন, তা মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

দিন দুই আগে রাজ্য বিজেপি সংগঠন ব্যাপক রদবদল হয়েছে। তাতে বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি পদ থেকে বাদ পড়েছেন অভিজিৎ তা। নতুন দায়িত্বে এসেছেন আইনজীবী আশিস পাল। তাতে খুশি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একাংশ। ভাইরাল হওয়া মিনিট খানেকের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভিএইচপি নেতা রঙ্গন পাত্রর নেতৃত্বে কয়েকজন জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সদর দরজা থেকে মন্ত্র পড়ে গঙ্গাজল ছিটাতে ছিটাতে ভবনের ভিতরে প্রবেশ করছেন। বিজেপি তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একাংশের অভিযোগ, পূর্বতন জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা’র সময়ে দলের বড় অংশকে গুরুত্ব দেওয়া হতো না। রয়েছে আরও বিস্তর অভিযোগ। তাই তাঁকে পদ থেকে সরানোর আনন্দে এই শুদ্ধিকরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি ভিএইচপির একাংশের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
গঙ্গাজল ছিটিয়ে বিজেপির পার্টি অফিস শুদ্ধিকরণ ভিএইচপি নেতার, নিজস্ব ছবি

রঙ্গন পাত্রের দাবি, এই কর্মসূচি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ বা আঘাত করার উদ্দেশে করা হয়নি। তবুও যদি এই ঘটনায় কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তার জন্য তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আগামী দিনে যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে দলের কাজ পরিচালিত হতে পারে, সে কথা মাথায় রেখেই ঈশ্বর ও ভগবানের আশীর্বাদ কামনা করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে এই ঘটনাকে সমর্থন করেননি বর্ধমান জেলা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সম্পাদক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ‘‘বিষয়টা আমাদের কানেও এসেছে। আমাদের সংগঠনের কেউ বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে কোনও কর্মসূচি করতে পারে না। গোরাক্ষা প্রমুখ ওই কাজ করেছেন। আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব।”

পরে জানা গিয়েছে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (মধ্যবঙ্গ প্রান্ত) গো-রক্ষা প্রমুখ রঙ্গন পাত্রের নেতৃত্বে ওই শুদ্ধিকরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। তাঁর সাফাই, ‘‘আমরা বিজেপির দলীয় কার্যালয়কে মন্দিরের মতো পবিত্র মনে করি। মন্দিরে প্রবেশের আগে যেমন জল ছিটিয়ে এলাকা পবিত্র করা হয়, ঠিক তেমনই কার্যালয়ের সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে এবং অতীতের অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা দূর করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।” গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা বিজেপি নেতৃত্বের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.