Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Barasat

পণের দাবিতে নারকীয় অত্যাচার, বধূর মুখে ঢালা হল অ্যাসিড! গ্রেপ্তার স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ি

পণের দাবিতে ভয়াবহ অত্যাচার গৃহবধূর উপর। তরুণীকে অকথ্য মারধরের পর মুখে ঢেলে দেওয়া হল অ্যাসিড! ন্যক্করজনক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের শাসনে। ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই তরুণী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৯:৪৮

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৯:৪৮

options
link
পণের দাবিতে নারকীয় অত্যাচার, বধূর মুখে ঢালা হল অ্যাসিড! গ্রেপ্তার স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ি zoom
প্রতীকী ছবি

পণের দাবিতে ভয়াবহ অত্যাচার গৃহবধূর উপর। তরুণীকে অকথ্য মারধরের পর মুখে ঢেলে দেওয়া হল অ্যাসিড! ন্যক্করজনক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের শাসনে। ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই তরুণী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃতদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন ওই তরুণীর বাপেরবাড়ির লোকজন।

পণের দাবিকে কেন্দ্র করে গৃহবধূকে মারধর করে মুখে অ্যাসিড ঢেলে খুনের চেষ্টার অভিযোগে স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ঘটনাটি বারাসতের শাসন থানার ভাগ্যবন্তপুর এলাকায়। ধৃতরা হল স্বামী আলমগীর হোসেন, শ্বশুর আক্কাস আলি ও শাশুড়ি আম্বিয়া বিবি। মঙ্গলবার তাদের বারাসত আদালতে তোলা হলে স্বামী ও শাশুড়িকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। শ্বশুরকে পাঠানো হয়েছে জেল হেফাজতে।

Advertisement

জখম গৃহবধূ নাসরিন খাতুন বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক বছর আগে আলমগীরের সঙ্গে নাসরিনের বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে তাঁর উপর চাপ দেওয়া হচ্ছিল। ধীরে ধীরে সেই চাপ অত্যাচারে পরিণত হয় বলে দাবি পরিবারের। অভিযোগ, সোমবার বিকেলে নাসরিনকে মারধরের পর মুখে অ্যাসিড ঢেলে দেওয়া হয়। এরপর বিষয়টি আত্মহত্যার চেষ্টা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ।

খবর পেয়ে নাসরিনের বাপের বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বারাসত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর শাসন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের সদস্যরা। নাসরিনের বাবা রসুল আলির অভিযোগ, পণের দাবিতেই পরিকল্পনা করে মেয়েকে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের জেরা করে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.