Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Raiganj MLA Krishna Kalyani

কৃষ্ণ কল্যাণীকে রাতভর জেরা আয়কর কর্তাদের, ‘দুর্নীতি করিনি’, দাবি রায়গঞ্জের বিধায়কের

২২ ঘণ্টা পর বাড়ি থেকে অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কৃষ্ণ কল্যাণীকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৩, ০৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৩, ০৯:৩৬

options
link
কৃষ্ণ কল্যাণীকে রাতভর জেরা আয়কর কর্তাদের, ‘দুর্নীতি করিনি’, দাবি রায়গঞ্জের বিধায়কের zoom
Advertisement

শংকর কুমার রায়, ইসলামপুর: ২৫ ঘণ্টা পার। এখনও জেরা করা হচ্ছে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্য়াণীকে। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে নাগাদ সপরিবারে বিধায়ককে বাড়ি থেকে তাঁর অফিসে নিয়ে গিয়েছে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। সেখানেই তাঁকে ফেরহ জেরা করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। যদিও বিধায়কের দাবি, “রায়গঞ্জের বিধায়ক কোনও দুর্নীতি করে না। মানুষের জন্য কাজ করে। এটা প্রমাণ হয়ে যাবে।”

বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ কৃষ্ণ কল্যাণীর বাড়িতে হানা দেয় আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। শুধু তাঁর বাড়ি নয়, অফিসে চলছিল তল্লাশি। এমনকী, কৃষ্ণ কল্যাণীর হিসাবরক্ষক, ম্যানেজার, ব্যবসার অংশীদারদের বাড়িতেও তল্লাশি শুরু করে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। রাতভর চলে সেই তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ। আয়কর দপ্তরের কর্তারা হানা দিতেই বিধায়কের বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁর অনুগামীরা। বিকেলের দিকে বাড়ির বারান্দায় এসে তাঁর উদ্দেশে হাতও নেড়েছিলেন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা এই বিধায়ক। তারপর থেকে আর তাঁকে দেখা যায়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মাঝরাতে যন্তরমন্তরে ‘মদ্যপ’ পুলিশকর্মীদের তাণ্ডব, মাথা ফাটল কুস্তিগিরের, নজর রাখছে IOC]

রাত বাড়তেই বিধায়কের বাড়ির সামনে ফাঁকা হতে শুরু করে। এরপর ভোর চারটে নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় কনভয়ে চাপিয়ে সুদর্শনপুরের কর্পোরেট অফিসের দিকে রওনা দেয় আয়কর অফিসাররা। সূত্রের খবর, সেই অফিসের সামনে ভিড় জমিয়েছেন কৃষ্ণ কল্য়াণীর অনুগামীরা। উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ওই এলাকায়।

বাড়ি থেকে বেরিয়ে অফিসের দিকে রওয়ান দেওয়ার আগে কৃষ্ণ কল্যাণী জানান, ওঁদের সঙ্গে পুরো সহযোগিতা করছি। ওঁরা ভাল ব্যবহার করেছে। আমি সন্তুষ্ট। বিধায়ক আরও জানান, তদন্তকারীরা তাঁকে অফিসে নিয়ে যাচ্ছেন না। বরং তিনি নিজেই আধিকারিকদের সুদর্শনপুরের অফিসে নিয়ে যাচ্ছেন। এরপরই তাঁর ঘোষণা, “রায়গঞ্জের বিধায়ক কোনও দুর্নীতি করে না। মানুষের জন্য কাজ করে। কাল এটা প্রমাণ হয়ে যাবে।”

[আরও পড়ুন: আইপিএলের জাল টিকিট বানিয়ে চড়া দামে বিক্রি, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার চক্রের ‘চাঁই’ তৃণমূল নেতা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.