Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
নিখোঁজ ছাত্র

‘হুগলি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি’, সুইসাইড নোট লিখে নিখোঁজ ছাত্র

কলেজ হস্টেল থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় ওই ছাত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২০, ১৯:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২০, ১৯:৪৪

options
link
‘হুগলি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি’, সুইসাইড নোট লিখে নিখোঁজ ছাত্র zoom
Advertisement

বিপ্লবচন্দ্র দত্ত, কৃষ্ণনগর: কলেজের হস্টেলে থাকাকালীন সুইসাইড নোট লিখে নিখোঁজ নদিয়ার কল্যাণীর ট্রিপল আইটির দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্র। তিন দিন ধরে নিখোঁজ থাকা ওই ছাত্রের এখনও পর্যন্ত কোন হদিশ মেলেনি। ছেলের বন্ধুদের মাধ্যমে এই খবর পেয়ে বিহার থেকে তড়িঘড়ি কল্যাণীতে ছুটে আসেন নিখোঁজ ওই ছাত্রের বাবা। ইতিমধ্যেই কল্যাণী থানায় তিনি মিসিং ডায়েরি করেছেন। নিখোঁজ ছাত্রের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

রাজশ্রী গুপ্তা নামে নিখোঁজ ওই ছাত্র বিহারের গোপালগঞ্জ জেলার কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা। ভবিষ্যতের কথা ভেবে রাজশ্রীর বাবা প্রদীপ কুমার গুপ্তা ছেলেকে কল্যাণীর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজিতে ভরতি করিয়েছিলেন। দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছিলেন রাজশ্রী। কলেজের হস্টেলেই থাকতেন তিনি। যদিও তার সহপাঠীদের দু-একজন জানিয়েছেন,”পড়াশোনার চাপ নিতে পারছিল না রাজশ্রী। সেই কারণে রাজশ্রী সবার সঙ্গে ঠিকমতো কথাবার্তা বলছিল না। বেশিরভাগ সময়ই চুপচাপ থাকত। গত ২৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে আটটা নাগাদ কাউকে বিশেষ কিছু না বলে কলেজের হস্টেল থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল সে। তারপর আর ফেরেনি।” রাজশ্রীর ল্যাপটপ থেকে পাওয়া গিয়েছে একটি সুইসাইড নোট। তাতে লেখা ছিল, হুগলি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে রাজশ্রী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘উর্দিধারী পুলিশ আধিকারিককে অপমান করা যায় না’, রাজ্যপালকে একযোগে আক্রমণ মন্ত্রীদের]

যদিও তদন্ত শুরু করতে প্রায় পঁচিশ ঘণ্টা সময় পেরিয়ে যায়। স্বভাবতই রাজশ্রীকে নিয়ে রাজশ্রীর বাবা-মা ভীষণ চিন্তায় রয়েছেন। তাঁরা এখনও পর্যন্ত রাজশ্রীর কোন খবরই পাননি। ছেলের নিখোঁজের খবর পেয়ে বিহার থেকে তড়িঘড়ি কল্যাণীতে ছুটে এসেছেন রাজশ্রীর বাবা প্রদীপ কুমার গুপ্তা। তিনি বলেন, “আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাকে জানায়নি। ছেলের সহপাঠীদের কাছ থেকে আমি বিষয়টি জানতে পেরে ছুটে এসেছি। জানতে পেরেছি আমার ছেলে একটি সুইসাইড নোট লিখে গিয়েছে। ওই সুইসাইড নোটে হুগলি নদীতে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে বলে লেখা ছিল।” ছেলের হদিশ পাওয়ার জন্য কল্যাণী থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন রাজশ্রীর বাবা।

বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি ওই ছাত্রের। বিহার থেকে কল্যাণীতে এসে ট্রিপল আইটিতে ভরতি হওয়ার পর থেকে পড়াশোনার অত্যধিক চাপ সইতে না পারা এবং তা বাড়ির লোককে খোলাখুলিভাবে না জানাতে পারার কারণেই রাজশ্রী গুপ্তা এমন ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কী না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.