Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

দেশের দীর্ঘতম রোপওয়ে, রজ্জুপথে জুড়বে এবার বাংলা-সিকিম

দুই রাজ্যের সম্পর্কের ভিত্তিকে মজবুত করবে এই রোপওয়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৬:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৬:৩৭

options
link
দেশের দীর্ঘতম রোপওয়ে, রজ্জুপথে জুড়বে এবার বাংলা-সিকিম zoom

সংগ্রাম সিংহরায়শিলিগুড়ি: এবার রজ্জুপথে জুড়তে চলেছে বাংলা-সিকিম। ভারতের সবচেয়ে বড় রোপওয়ে স্থাপনে উদ্যোগী পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আরও নির্দিষ্ট করে বলতে হলে ডুয়ার্স থেকে গ্যাংটক রংপো পর্যন্ত রোপওয়ে স্থাপন করে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটনের চালচিত্রই বদলে দিতে চাইছে এই দুই রাজ্য। এনিয়ে ইতিমধ্যেই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে সিকিম পর্যটন দপ্তরের কাছে। এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব।  বিষয়টি নিয়ে দ্রুত সিকিম সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এই রোপওয়ে দিনের আলো দেখলে তা হবে দেশের বৃহত্তম বিনোদনমূলক রোপওয়ে। গোটা প্রকল্পের বাস্তবায়নে জন্য প্রয়োজন কয়েকশো কোটি টাকা। প্রয়োজনে কেন্দ্রের কাছেও আর্থিক সাহায্য নিতে হতে পারে বলে খবর।

তৃণমূল প্রার্থীর পরিত্যক্ত পাম্পিং হাউসে হুমকিমূলক পোস্টারকে ঘিরে চাঞ্চল্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই প্রসঙ্গে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে রোপওয়ে স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ডুয়ার্স থেকে সিকিম তার মধ্যে সবচেয়ে বড়।” দড়ির মাধ্যমে কেবল কার সার্ভিস বিনোদনের পাশাপাশি পরিবহণ সহযোগী হয় কিনা তাও দেখা হচ্ছে। চলছে আলোচনা। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটন বিশেষজ্ঞরা। এই সার্কিটের পর্যটনে অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

slg-ropeway

দু’রাজ্যের মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনার পর, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ফের বিষয়টি নিয়ে বসা হবে। সেখানেই পরবর্তী প্রক্রিয়া ঠিক হবে। আকাশ পথে কত কিলোমিটার দড়ি ঝোলাতে হবে তার সমীক্ষা করা হবে। ২০২০-র মধ্যে প্রকল্প চালু করতে বিশেষ তৎপর রাজ্য। এই রোপওয়েটি ছাড়াও মিরিকে থার্বো চা বাগান থেকে রংপো পর্যন্ত আরও একটি স্বল্প দূরত্বের রোপওয়ে তৈরি করা হবে। এছাড়াও বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর ও পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়েও এমন দু’টি রোপওয়ে তৈরি করা হবে বলে জানান পর্যটনমন্ত্রী। এই প্রকল্পটি দিনের আলো দেখলে সড়কপথে সিকিম-বাংলা যান চলাচল নিয়ে যে রেসিপ্রোকাল চুক্তি রয়েছে, তাতেও উন্নতি হবে। সিকিমের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যেই চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। যার জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে এ রাজ্যও কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। তাতে পর্যটনে সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন গাড়ি চালক থেকে ট্যুর অপারেটর সকলেই। পর্যটন বিশেষজ্ঞ সম্রাট সান্যাল বলেন, “রোপওয়ে চালু হলে একটা মাইলস্টোন প্রতিষ্ঠা হবে। শুধু তা দেখতেই গোটা বিশ্ব ভিড় করবে।” বাংলা ও সিকিমের পর্যটনের পরামর্শদাতা রাজ বসুও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এতে পর্যটনের উন্নতি তো হবেই, তার সঙ্গে প্রতিবেশী সিকিমের সঙ্গে রাজ্যের সম্পর্কও মজবুত হবে। যা সার্কিটের উন্নতিতে সহায়ক ভূমিকা নেবে।”

[ভোটের আগেই দলবদল, তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন সিপিএম প্রার্থী!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.