Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
TMC

এক ঘণ্টার মধ্যে সরকারি প্রকল্পের ২ বার উদ্বোধন! ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব

আসানসোলের ডেপুটি মেয়র তবসুম আরা ও বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২০, ১৯:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২০, ১৯:২৩

options
link
এক ঘণ্টার মধ্যে সরকারি প্রকল্পের ২ বার উদ্বোধন! ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: আসানসোল দুর্গাপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (ADDA) পথবাতি উদ্বোন অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি বিধায়ক তথা সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান। কিন্তু প্রধান অতিথি আসার আগেই পথবাতি উদ্বোধন করে চলে গেলেন আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র! এ নিয়ে গুঞ্জন শুরু হতেই, সেই আলো নিভিয়ে দিয়ে, আবার জ্বেলে প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন সংস্থার চেয়ারম্যান তথা কুলটির বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়। শনিবার রাতের এই ঘটনার জেরে কুলটিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। কুলটির বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বনাম ডেপুটি মেয়র তবসুম আরার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছবি এভাবে লোকসমক্ষে স্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব।

কুলটির ধেমোমেন থেকে নিয়ামতপুর পর্যন্ত জিটিরোড, নিয়ামতপুর থেকে ইস্কো বাইপাস রোড-সহ চলবলপুর রোড এলাকায় পথবাতি বসানো হয়েছে। ২ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রায় দশ কিলোমিটার রাস্তা আলোকিত করা হয়েছে এডিডিএ’র পক্ষ থেকে। শনিবার রাতে সেই পথবাতির উদ্বোধন করার কথা ছিল কুলটির বিধায়ক তথা এডিডিএ’র ভাইস চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের। সেইমতে ধেমোমেন এলাকায় একটি মঞ্চও তৈরি করা হয়ে। উদ্বোধনের প্রস্তুতির মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান আসানসোল পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র তবসুম আরা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সহ-সভাপতি বাচ্চু রায়। তাঁরা নিজেরাই ধেমোমেন থেকে শুরু করে ইস্কো বাইপাস ও চলবলপুর রোডের স্ট্রিট লাইটগুলি জ্বালিয়ে দিয়ে প্রকল্পের উদ্বোধন করে দেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন:  স্পেশ্যাল ট্রেনে ওঠার দাবি, বিক্ষোভ-অবরোধে রণক্ষেত্র হুগলির একের পর এক স্টেশন]

সরকারি নিয়ম ভেঙে এমন ঘটনা কেন ঘটালেন? এই প্রশ্ন উঠতেই ডেপুটি মেয়র আরার দাবি, ”এই প্রকল্পটি জন্য খরচ হয়েছে প্রায় দু’কোটি টাকা। পুরো টাকাটাই আমি একক উদ্যোগে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নোয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে এনেছি। অথচ প্রকল্পের উদ্বোধনে আমাকে আমন্ত্রণ পর্যন্ত করা হয়নি। তাই এই প্রকল্পের উদ্বোধন আমিই করলাম।”

[আরও পড়ুন: ‘পার্টি থেকে করে খাচ্ছেন, আর কর্মীদেরই বঞ্চিত করছেন’, বেচারাম মান্নার মন্তব্যে বিতর্ক]

এই ঘটনার ঘন্টা খানেক পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিধায়ক তথা সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়। তিনি আসতেই সমস্ত স্ট্রিট লাইট নিভিয়ে দেওয়া হয়। এরপরে উজ্জ্বলবাবু নিজে বিদ্যুৎ সংযোগ করেন, নতুন করে জ্বলে ওঠে স্ট্রিট লাইটগুলি। উজ্জ্বলবাবুর আগেই এই প্রকল্পে উদ্বোধন করে গিয়েছেন ডেপুটি মেয়র। এই প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে বিধায়ক বলেন, ”কে কী করেছে, আমি জানি না। গত মার্চ মাস থেকে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই কাজটি করেছি। সেটি এতদিনে সার্থক রূপ পেল।” এই বিষয়ে আসানসোল পুরনিগমের মেয়র তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলেন, ”কুলটিতে আলো জ্বলে উঠল, উজ্জ্বলময় হয়ে উঠল এলাকা। এর বেশি আমি আর কিছু দেখতে পাচ্ছি না।” জিতেন্দ্রবাবু না দেখতে পেলেও, তবসুম আরা বনাম উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের দ্বন্দ্ব যে সকলেই দেখতে পেলেন, তাতে কোনও সংশয় নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.