অরূপ বসাক, মালবাজার: সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে টিকা নেওয়ার পরই শিশুকন্যার মৃত্যু ঘিরে তুলকালাম কাণ্ড জলপাইগুড়ির লাটাগুড়িতে। বাবা-মার অভিযোগ টিকা নেওয়ার জেরেই মৃত্যু হয়েছে সন্তানের। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার অবরোধে শামিল হন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের লোকেরা। শুক্রবারও উত্তেজনা এলাকায়। এদিন শিশুর দেহটির ময়নাতদন্ত করা হবে।
বুধবার লাটাগুড়ির ক্রান্তি মোড়ের বাসিন্দা কবিতা অধিকারী ও কৌশিক অধিকারীর দেড় মাসের শিশুকন্যাকে ঝাড়মাটিয়ালি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়। রাতে শিশুটির জ্বর আসে। তারপরই নাক,মুখ দিয়ে রক্ত বেরতে শুরু করে। শিশুকন্যাকে দ্রুত জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনায় প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিশুকন্যাটির পরিবার।
মৃত্যুর খবর দাবালনের মতো ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ময়নাগুড়ি-লাটাগুড়ি ৭১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত জনতার হাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন দপ্তরের যাত্রীবাহী বাস। প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এবিষয়ে মালের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক (বিএমওএইচ) দীপঙ্কর কর বলেছেন, “শিশুটি প্রি-ম্যাচিওর অর্থাৎ সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। তাকে সমস্ত নিয়ম মেনে টিকা দেওয়া হয়েছিল। এখানে আমি স্বাস্থ্যকর্মীদের কোনও ভুল আমি দেখছি না। পরিবার চাইলে থানায় অভিযোগ জানাতে পারে। ময়নাতদন্ত হলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।” অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার উত্তর ঝাড়মাটিয়ালি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালা ঝুলতে দেখা গিয়েছিল। শুক্রবার সন্তানহারা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান, ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্যে সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় নেতারা।
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের