শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: নাবালক সন্তানের সামনেই স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল স্বামী। সেই মামলায় স্বামীকে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত। সোমবার জলপাইগুড়ি আদালতে অ্যাডিশনাল থার্ড কোর্টের বিচারক বিপ্লব রায় এই রায় শুনিয়েছেন। সাজা শুনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন মৃতার বাপেরবাড়ির লোকজন।
জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি থানার চারের এলাকার বাসিন্দা সুজিত দে ভৌমিক। স্ত্রী ও নাবালক ছেলেকে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। অভিযোগ, পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিল সুজিত দে ভৌমিক। সেই পরকীয়ার কথা জানতে পেরে গিয়েছিলেন স্ত্রী। তারপর থেকেই স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ তুঙ্গে উঠেছিল। সংসারে নিত্যদিন হত অশান্তি। কিন্তু সেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক থেকে কোনওভাবে সরে আসেনি ওই ব্যক্তি।
এই অবস্থায় ২০২৩ সালের জুন মাসে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফের বিবাদ হয়। সেসময় নাবালক ছেলের সামনে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুন করে ওই ব্যক্তি। রক্তে ভেসে যায় ঘর। ঘটনাস্থলেই ওই মহিলা মারা যান বলে খবর। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করে ওই ব্যক্তি। ওই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে মামলা শুরু হয়। মামলার শুনানিতে নাবালক সন্তান-সহ ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। বাবা মাকে খুন করেছে। সেই কথা আদালতে জানিয়েছিল ওই নাবালক। সমস্ত তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অ্যাডিশনাল থার্ড কোর্টের বিচারক বিপ্লব রায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আজ সোমবার দোষীকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছেন বিচারক।
সর্বশেষ খবর
-
বেসরকারি স্কুলের সিকরুমে কন্ডোম! উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কাঁচরাপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
-
আইএসএল জয় উদযাপন, শহরে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইস্টবেঙ্গল উত্তরাধিকার’ সমষ্টির
-
বাড়ির আইনি দখল নিতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, হাসপাতালে তালতলার এস আই
-
‘মহান প্রধানমন্ত্রী, জ্ঞানী ব্যক্তি’, ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বন্ধু’ মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের
-
বন্ধ ‘থ্রেট কালচার’, অভয়া কাণ্ডে যুক্তদের সাজা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আর কী অঙ্গীকার শারদ্বতের?