Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Janmashtami

মন্মথপুরে জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসবের আয়োজন, শোভাযাত্রায় কৃষ্ণের বেশে ১৩১ শিশু

ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের গৌরবময় ১৩১তম শুভ আবির্ভাব বর্ষ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় এক অভিনব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৬:৫৯

options
link
মন্মথপুরে জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসবের আয়োজন, শোভাযাত্রায় কৃষ্ণের বেশে ১৩১ শিশু zoom
Advertisement

জন্মাষ্টমী (Janmashtami) ও নন্দোৎসব উপলক্ষে উৎসবের আমেজ মন্মথপুর প্রণব মন্দির চত্বরে। বিশ্ববন্দিত ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের গৌরবময় ১৩১তম শুভ আবির্ভাব বর্ষ উপলক্ষে এবার আয়োজন করা হয় এক অভিনব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রার। এই শোভাযাত্রায় ১৩১ জন শিশুকে শ্রীকৃষ্ণের সাজে এবং ১৩১ জন মাকে মা যশোদার সাজে সুসজ্জিত করা হয়। স্বামী প্রণবানন্দ মাতৃসুরক্ষা মঞ্চ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। প্রায় চার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে শোভাযাত্রাটি এসে পৌঁছয় মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে।

কৃষ্ণের বেশে শিশুরা। নিজস্ব ছবি

শোভাযাত্রায় শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন লীলাকে তুলে ধরা হয়। মন্মথপুর প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি প্রায় দুই শতাধিক খুদে পড়ুয়া কৃষ্ণের সাজে অংশ নেয় এই অনুষ্ঠানে। খুদেদের এমন অভিনব উপস্থাপনা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। শোভাযাত্রার রাস্তার দু’ধারে ভিড় জমে যায় সাধারণ মানুষের। বিভিন্ন জায়গায় ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। কোথাও মায়েরা কৃষ্ণরূপী শিশুদের ননী খাওয়ানোর চেষ্টা করেন, আবার কোথাও তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় জল ও বাতাসা। চার কিলোমিটার পথজুড়ে ভক্তি, সংকীর্তন ও উৎসবের আবহে তৈরি হয় এক অন্যরকম পরিবেশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
কৃষ্ণের বেশে শিশুরা। নিজস্ব ছবি

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী শিশুদের হাতে ভক্তদের পক্ষ থেকে জন্মাষ্টমীর প্রসাদ তুলে দেওয়া হয়। কৃষ্ণের শৈশবলীলা ও মাতৃস্নেহের এই উপস্থাপনা ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও তৈরি হয় বিশেষ আবেগ। অবশেষে মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে পৌঁছে গুরু মহারাজের সমবেত আরতির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। আরতি শেষে উপস্থিত সকলের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য, এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিশুদের মধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক চেতনার বিকাশ ঘটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মায়েরা তাঁদের সন্তানদের কৃষ্ণের সাজে সাজিয়ে প্রার্থনা করেন, আগামী দিনে শ্রীকৃষ্ণ যেন সকলের ঘরে ফিরে আসেন এবং সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দেন। মন্মথপুরের এই অভিনব জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসবকে ঘিরে এলাকায় কার্যত এক নতুন আধ্যাত্মিক জাগরণের পরিবেশ তৈরি হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.