BREAKING NEWS

১০  আশ্বিন  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

দরকারে চিনে গিয়ে ঘাতকদের খতম করা হবে, শহিদ রাজেশের অন্ত্যেষ্টিতে শপথ জওয়ানদের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: June 22, 2020 7:31 pm|    Updated: June 22, 2020 7:33 pm

Jawans of Bihar regiment take oath to retaliate China on Rajesh Orang's killing

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: শহিদ রাজেশ ওরাংয়ের মৃত্যুর বদলা নিতেই হবে। দরকারে চিনে গিয়ে হত্যাকারীদের খতম করে আসবে ভারতীয় সেনা। সোমবার শহিদ রাজেশ ওরাংয়ের অন্ত্যেষ্টি শেষে তাঁর ছবির সামনে দাঁড়িয়ে কার্যত শপথ নিলেন বিহার রেজিমেন্টের কয়েকজন জওয়ান। এই বিহার রেজিমেন্টেই পোস্টিং ছিল বীরভূমের শহিদ সন্তানের। অন্ত্যেষ্টিতে উপস্থিত লেফটেন্যান্ট কর্নেল হৃষিকেশ মিশ্র বললেন, ‘রাজেশের বলিদান ব্যর্থ হবে না।’ বদলার কথা শুনে কেঁদে ফেললেন রাজেশের মা মমতা ওরাং, বাবা সুভাষ ওরাং।

গত সোমবার লাল ফৌজের আক্রমণে লাদাখে শহিদ হয়েছেন বীরভূমের মহম্মদবাজারের বাসিন্দা রাজেশ। রবিবার আদিবাসী প্রথা মেনে মহম্মদবাজারের বেলগড়িয়া গ্রামে অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে ছিল শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর্ব। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এই বেলগড়িয়া গ্রামের উন্নয়নে একগুচ্ছ ঘোষণা করা হয়। এক লক্ষ টাকার চেক ও আগামী ছ’মাসের রাজেশের পরিবারের চারজনের যাবতীয় খাদ্যদ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন: একাধিক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ, বিজেপি জেলা সভাপতির পদত্যাগ চাইছেন দলীয় কর্মীরাই]

জেলা পরিষদের মুখ্য পরামর্শদাতা অভিজিত রাণা সিংহ বলেন, ”জাতীয় সড়ক থেকে বেলগড়িয়া গ্রামের ভিতর পর্যন্ত পাকা রাস্তা করে দেবে জেলা পরিষদ। যার নাম রাখা হবে শহিদ রাজেশের নামে।” এছাড়াও গ্রামে দুটি পানীয় জলের সাবমার্সিবল করে দেওয়া হবে। সমাধিস্থলে একটি শহিদবেদি তৈরি করবে জেলা পরিষদ। সেখানে বসবে রাজেশ ওয়াংয়ের মূর্তি। এছাড়াও গ্রামের যাবতীয় উন্নয়নে পাশে থাকবে জেলা পরিষদ। রাজেশের জেঠু নগেন ওরাং বলেন, ”ও খেলাধুলা ভালবাসত। তাই তাঁর শহিদ বেদির পাশেই মুখাগ্নি তলার কাছে খেলার মাঠ গড়ে তোলা হোক। একটি ক্লাব গড়ে উঠুক রাজেশের নামে।

[আরও পড়ুন: রথযাত্রায় করোনার কোপ পড়লেও পার্বণে ছুটি ঘোষণা করল রাজ্য সরকার]

এদিন গ্রামে গিয়ে শহিদের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং-সহ জেলার পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। শহিদের ছবিতে মালা দিয়ে তাঁর বাবা, মায়ের চরণস্পর্শ করে শ্রদ্ধা জানান। জেলা কেমিস্ট ও ড্রাগিস্টের পক্ষ থেকে রাজেশের বাবা, মায়ের আজীবন ওষুধের ভার নেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি কার্ড তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সব্যসাচী সরকার, কো-মেন্টর ধীরেন্দ্র
বন্দ্যোপাধ্যায়, কর্মাধ্যক্ষ আবদুল করিম, বেলগড়িয়ার বাড়িতে গিয়ে এদিন সকলেই শ্রদ্ধা জানান।

ছবি: সুশান্ত পাল।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে