Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

মোদির আহ্বানে আলো নিভিয়ে বিতর্ক, বেলপাহাড়ির স্বাস্থ্য আধিকারিককে শোকজ

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় সরব বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২০, ১১:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২০, ১১:১০

options
link
মোদির আহ্বানে আলো নিভিয়ে বিতর্ক, বেলপাহাড়ির স্বাস্থ্য আধিকারিককে শোকজ zoom
Advertisement

শুভময় মণ্ডল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানে বাতি নিবিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন চিকিৎসক। ৫ এপ্রিল, রাত ন’টায় নয় মিনিটের জন্য অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল। এর জেরেই ওই হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিককে শোকজ করলেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (CMOH)।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ৫ এপ্রিল বেলপাহাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে বাতি নিবিয়ে প্রদীপ জ্বেলেছিলেন স্বাস্থ্য আধিকারিক তীর্থপ্রসাদ চক্রবর্তী। বিষয়টি নজরে আসতেই ১০ এপ্রিল তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেন ঝাড়গ্রামের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নজরেও আনেন তিনি। কার নির্দেশে এই কাজ করেছেন তিনি, এবং প্রদীপ কেনার টাকা কে দিয়েছে, এসব প্রশ্নের জবাব চাওয়া হয় চিকিৎসক তীর্থপ্রসাদ চক্রবর্তীর কাছে। অপ্রিলের ১১ তারিখের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। ইতিমধ্যে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় শুরু হয়েছে সমালোচনা। তবে হাসপাতালে আলো নিভিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ উচিত হয়নি বলেই মত অনেকের। উল্লেখ্য, হাসপাতাল-সহ অন্যান্য জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে বাতি নেবানোর কথা কখনওই বলেননি প্রধানমন্ত্রী।           

এদিকে, এই ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেছেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। নিজের পেজে শোকজ নোটিসের ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, “৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রদীপ জ্বালানোয় এক চিকিৎসককে শোকজ করেছে মমতা আপার সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনে কি ওই ডাক্তার ভুল করেছেন? বাংলায় কি শুধু আপা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আদেশ পালন করা হবে? আর তা না মানলেই আপনি গদ্দার।”               

উল্লেখ্য, এপ্রিলের ৫ তারিখ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশবাসীকে রাত ৯টায় প্রদীপ জ্বালিয়ে সংহতির বার্তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। গোটা দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে ওই দিন রাত নটায় ন’মিনিটের জন্য প্রদীপ, মোমবাতি, মোবাইলের ফ্ল্যাশ কিংবা টর্চ জ্বালানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাতে সাড়াও মিলেছিল দেশজুড়ে।    

[আরও পড়ুন: করোনা ‘যুদ্ধে’ জয়ী কালিম্পংয়ের মৃতার পরিবারের সদস্যরা, সুস্থ হয়ে ফিরলেন বাড়িতে]        

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.