১১ আষাঢ়  ১৪২৬  বুধবার ২৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

১১ আষাঢ়  ১৪২৬  বুধবার ২৬ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিনি ডিজিটাল ডেস্ক: নীলরতম সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের নিগ্রহের প্রতিবাদে বড় ধাক্কা খেতে চলেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা৷ বুধবার ১২ ঘণ্টা রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস৷ তবে জরুরি পরিষেবা এই বনধের বাইরে থাকবে বলে আশ্বাস মিলেছে৷

[ আরও পড়ুন: তৃণমূল থেকে কেন দলে নেওয়া হচ্ছে? কোচবিহারে নিশীথকে ঘিরে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের]

চিকিৎসায় গাফিলতির জেরে রোগীমৃত্যুর ঘটনা ঘিরে সোমবার রাতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতাল৷ জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে মৃত রোগীর পরিবারের সঙ্গে হাতাহাতি বেঁধে যায়৷ এর মাঝে পড়ে এক ইন্টার্ন ডাক্তার গুরুতর জখম হন৷ এসবের জের ছিল মঙ্গলবার সারাদিন৷ দফায় দফায় জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ, বিক্ষোভে কার্যত দিনভর হাসপাতালের পরিষেবা ব্যাহত হয়৷ অনেক রোগীকেই ফিরে যেতে হয়৷ এর রেশ গড়ায় রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজেও৷ প্রতিবাদ জানিয়ে কর্মবিরতিতে যোগ দেয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তাররাও৷ এমনকী স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য নিজে এনআরএসে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বাস দিলেও, তা মানতে চাননি তাঁরা৷ মন্ত্রী তাঁদের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন, কর্মবিরতি ভেঙে সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজে যোগ দিতে৷ তাতেও লাভ হয়নি৷ বিক্ষোভকারীরা কর্ণপাত করেননি৷

সরকারি হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তার, ইন্টার্নদের যথাযথ নিরাপত্তা নেই, এই দাবি তুলে এবার বড়সড় প্রতিবাদে শামিল হল জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস৷ সংস্থার সদস্যরা মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বুধবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে৷ জরুরি বিভাগ অবশ্য চালু থাকবে৷ ফলে সাধারণভাবে কোনও রোগী হাসপাতালে গেলে পরিষেবা পাবেন না৷

[ আরও পড়ুন: ‘খুনি মুখ্যমন্ত্রী’, মুকুলের নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়]

এইই প্রথম নয়৷ এর আগেও হাসপাতালে রোগীমৃত্যুর জেরে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে ডাক্তার নিগ্রহে হাজারও ঘটনা ঘটেছে এরাজ্যে৷ ভাঙচুর করা হয়েছে হাসপাতালে বিভিন্ন জায়গায়৷ নষ্ট হয়েছে সরকারি সম্পত্তি৷ বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা খুব নয়৷ এসব রুখতে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হস্তক্ষেপ করেছেন৷ চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ থাকলে, চিকিৎসক নিগ্রহ বা ভাঙচুর না করে সরকারের তৈরি নির্দিষ্ট হেলথ কমিশনে অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেইমতো যথেষ্ট সাফল্যের সঙ্গেই কাজ করেছে হেলথ কমিশন৷ কিন্তু তারপরও চিকিৎসকের উপর রোগীর আত্মীয়দের রোষ যায়নি৷ এনআরএসের ঘটনাই তার প্রমাণ৷ যার জেরে বুধবারের কর্মবিরতি এবং রাজ্যের এত মানুষের চিকিৎসাহীন হয়ে কাটাতে হবে প্রায় একটি দিন৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং