Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বাড়ি ছেড়েছেন স্ত্রী, অভিমানে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি স্বামী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮, ১২:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮, ১২:০১

options
link
বাড়ি ছেড়েছেন স্ত্রী, অভিমানে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর zoom

কল্যাণ চন্দ, বহরমপুর: বুকের মধ্যে উল্কিতে লেখা স্ত্রীর নাম। সেই স্ত্রীকে রাতে বাড়িতে দেখতে না পেয়ে অভিমানে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন স্বামী। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ছোটু রায় নামে ওই ব্যক্তিকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। সুস্থ হওয়ার পর পুজোর মধ্যেই স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাইছেন ছোটু। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের লালবাগের ভাগীরথী আশ্রমপাড়ায়।

জানা গিয়েছে, পুজো উপলক্ষে স্বামী বন্ধুদের সঙ্গে রাত জেগে পিকনিক করছেন। একাজ ভাল চোখে দেখেননি স্ত্রী। তাই মঙ্গলবার রাতেই শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান তিনি। এদিকে ভোর রাতে বাড়িতে ফিরে ছোটু দেখেন প্রাণপ্রিয় স্ত্রী নেই। তাঁর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। অভিমানে আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে রান্নাঘরে রাখা কেরোসিন নিজের গায়ে ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেন। পোড়া গন্ধে বাড়ির অন্যান্যরা ছুটে এসে দেখেন ছোটু জ্বলছেন। তড়িঘড়ি আগুন নিভিয়ে তাঁকে বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর মুখ, হাত ও বুকের বেশ খানিকটা পুড়ে গিয়েছে।

Advertisement

[প্রধানমন্ত্রীকে খুনের ষড়যন্ত্র! নিজেকে নির্দোষ দাবি ধৃত জঙ্গির]

এদিন হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছোটু জানান, স্ত্রীর নাম মামন। ভালবেসে বিয়ে করেছেন তাঁকে। বিয়ের আগে থেকেই মামনের নাম উল্কি করে বুকে লিখেছেন তিনি। বিয়ের পর পাঁচ বছর কেটেছে। সেই উল্কি মোছার চেষ্টাও করেননি তিনি। সেই স্ত্রী কিনা ভালবাসা উপেক্ষা করে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছে। এই ঘটনা তিনি মেনে নিতে পারেননি।  তাই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।  

এদিকে রাতে মেয়েকে নিয়ে কোথায় গিয়েছেন মামনদেবী বাড়ির কেউই তা জানেন না। ছোটুবাবুর পরিবার তেমনটাই দাবি। তবে ওই রাতেই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে যান ওই গৃহবধূ। তিনি সেখানেই রয়েছেন। তবে যাই হোক না কেন, পুজোর আগেই সমস্ত অভিমান কাটিয়ে মেয়ে ও স্ত্রীকে ফিরে পেতে চান ওই ব্যক্তি।

[টিফিনের খরচ বাঁচিয়ে কেরলের বন্যাদুর্গতদের পাশে স্কুল পড়ুয়ারা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.