১০ ফাল্গুন  ১৪২৬  রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: সরকারি প্রকল্পের সহায়তা পাইয়ে দেওয়ার নামে দম্পতিকে বোকা বানিয়ে সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে চুরির অভিযোগ উঠল মহিলার বিরুদ্ধে। রবিবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের অনাময় হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি জানিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন দম্পতি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সিপটা উত্তরপাড়ার বাসিন্দা সন্দীপ ও তাঁর স্ত্রী রিমা মালিক। শুক্রবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুকন্যার জন্ম দেন রিমা। রবিবার সকালে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয় তাঁকে। হাসপাতালের তরফে নিয়মমতো গাড়িরও ব্যবস্থা করা হয়। তাঁরা উপরের শিশুবিভাগ থেকে নীচে নেমে আসেন। গাড়ির কাগজপত্রও তাঁদের দেওয়া হয়। সন্দীপবাবু জানান, সেই সময় রিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক মহিলা রিমাদেবীদের কাছে যায়। দম্পতিকে জানায় যে, কন্যাসন্তানের জন্ম হলে সরকারের তরফে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সেই টাকা সন্দীপবাবুরা নিয়েছেন কি না তা জানতেও চান ওই মহিলা। ওই দম্পতি পাননি বলে জানাতেই টাকার জন্য তাঁদের অনাময় হাসপাতালে যেতে হবে বলে জানান অজ্ঞাত পরিচয় ওই মহিলা।

cctv

[আরও পড়ুন: পালিয়েও শেষরক্ষা হল না, ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেপ্তার বিশ্বভারতীর হামলায় অভিযুক্ত ছাত্রনেতা]

সরকারি সহায়তা পাবেন ভেবে সরল বিশ্বাসে সেখানে যেতে রাজি হয়ে যান সন্দীপবাবু ও রিমাদেবী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রিমাদেবীর মা। ১০০ টাকা দিয়ে টোটোভাড়া করে অনাময় হাসপাতালে যান তাঁরা। এরপর ওই মহিলা সদ্যোজাতকে নিয়ে রিমাদেবীকে এক জায়গায় বসতে বলেন। সন্দীপবাবুকে অন্য জায়গায় অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর সন্দীপবাবুর কাছে নিয়ে যেতে হবে বলে শিশুটিকে নিয়ে চলে যান রিয়া। বেশ কিছুক্ষণ পর ওই মহিলা বা সন্দীপবাবুকে ফিরে না আসায় রিমাদেবী স্বামীকে ফোন করেন। তিনি জানান, ওই মহিলা তাঁর কাছে যায়নি।

এরপরই দম্পতির কাছে গোটা বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ইতিমধ্যেই অনাময় হাসপাতাল কর্তপক্ষের কাছে অভিযোগও জানিয়েছেন তাঁরা। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডেপুটি সুপার তথা অনাময় হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত অমিতাভ সাহা জানান, তাঁরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখেছেন এক মহিলা ওই সদ্যোজাতকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ তুলে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে। ওই মহিলার সঙ্গে কেউ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং