৩১ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ১৭ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বনগাঁ পুরসভার আস্থা ভোট নিয়ে পুরপ্রধান শংকর আঢ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়৷ সাফ জানালেন, ‘‘মানুষের সুবিধার জন্য আপনাকে নির্বাচিত করা হয়েছে৷ জনসাধারণকে পরিষেবার দেওয়ার জন্য আপনাকে নির্বাচিত করা হয়েছে৷ সংখ্যাগরিষ্ঠতা যখন আপনার সঙ্গে নেই, তখন আপনাকে আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতেই হবে৷ ফল ভোগ করতেই হবে৷ এত নির্লজ্জ কেন আপনি? কেন চেয়ার আঁকড়ে পড়ে রয়েছেন?’’

[ আরও পড়ুন: এবার আইনি ফাঁদে হালিশহর পুরসভা, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলররা ]

এখানেই শেষ নয়, সূত্রের খবর প্রাথমিক ভাবে বিচারপতি এও জানিয়েছেন যে, আবার আস্থা ভোট হোক বনগাঁ পুরসভায়৷ এসপির উপস্থিতিতে ডিএম বা এসডিও অফিসে হোক সভা৷ সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে দেখাক পুর চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য৷ আদালত সূত্রে খবর, এদিনের শুনানির শুরু থেকেই অ্যাডভোকেট জেনারেলের (এজি) প্রতি ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়৷ ওইদিনের আস্থা ভোটের ইও বা এগজিকিউটিভ অফিসারের পেশ করা রিপোর্ট, এজি পড়ে শোনাতে গেলে, তাঁকে থামিয়ে দেন বিচারপতি৷ বলেন, ‘‘ওটা গীতা নাকি যে শুনতেই হবে৷ একদল কাউন্সিলর যে ইও-কে দিয়ে জোর করে ওই রিপোর্ট লিখিয়ে নেননি, তার কী প্রমাণ রয়েছে?’’ সব মিলিয়ে বনগাঁ পুরসভার আস্থা ভোটকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটেছে, তাকে ‘অত্যন্ত লজ্জা’র বলে দাবি করেছেন বিচারপতি৷ যদিও এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত রায় দেননি তিনি৷ অনুমান, শুক্রবারই হয়তো এই মামলায় চূড়ান্ত রায় দেবেন তিনি৷

অন্যদিকে, গত বুধবারের আস্থা ভোটে যে বিশৃঙ্খলা ঘটেছে, সেই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে বনগাঁ পুলিশ৷ প্রশাসনের কাজে বাধা দিয়েছে বিজেপি, এই অভিযোগেই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর৷ প্রসঙ্গত, ২২ ওয়ার্ড বিশিষ্ট বনগাঁ পুরসভায় ২১ জন কাউন্সিলরই তৃণমূলের ছিল। আর একটি ওয়ার্ড ছিল কংগ্রেসের দখলে। কিন্তু, লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই ডামাডোল চলছে পুরসভায়। বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ হয়৷ যে প্রস্তাবের পক্ষে গত বুধবার আস্থা ভোটের হওয়ার কথা ছিল৷ এবং সেই ভোটেই নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়৷ বিজেপি অভিযোগ করে, হাই কোর্ট তাঁদের দুই কাউন্সিলরকে অপহরণের মামলায় জামিন দিলেও, তাঁদের ভোটে অংশগ্রহণ করতে দেয়নি পুলিশ৷ এছাড়া বাকি কাউন্সিলরদের আস্থা ভোটে অংশগ্রহণ করতে দেননি চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য৷ এই অভিযোগে, পুনরায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় গেরুয়া শিবির৷ সেই মামলাতেই এদিন শাসকদল ও এজিকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়৷

[ আরও পড়ুন: নেপথ্যে পরকীয়া, চপ-মুড়ির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন মহিলার ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং