দেব গোস্বামী, বোলপুর: বিকল্প পৌষমেলার (Poush Mela) বৈঠক ঘিরে কার্যত ধুন্ধুমার বোলপুরের প্রশাসনিক ভবনে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত বৈঠকে জেলাশাসকের পাশে নিজের আসন না পেয়ে রেগে বেরিয়ে গেলেন বীরভূমের জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ। তাঁকে ছাড়াই বৈঠক চলে। ঠিক হয়েথছে, পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে বিকল্প পৌষমেলা। তবে প্রথমেই এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে তাল কাটে বৈঠকের।
সময়ের অভাবে পৌষ মেলা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়ে দিয়েছে বিশ্বভারতী (Vishva Bharati) কর্তৃপক্ষ। তাদের এই সিদ্ধান্তের পর জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, বিকল্প পৌষমেলা হবে। এই প্রথম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে পৌষমেলার আয়োজন। পূর্ব পল্লির মাঠ নাকি ডাকবাংলোর মাঠ – এই দুয়ের মধ্যে ঠিক কোথায় হবে মেলা, সেই স্থান নির্বাচনে মঙ্গলবার বোলপুর প্রশাসনিক ভবনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৈঠক বসে। ছিলেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট, আশ্রমিক, স্থানীয় ব্যবসায়ী – সকলেই যোগ দেন বৈঠকে।
[আরও পড়ুন: ভিক্টোরিয়ান যুগের হোটেল সরাতে ব্যবহৃত হল ৭০০ সাবান ! ভিডিও দেখে তাজ্জব নেটিজেনরা]
প্রোটোকল অনুযায়ী, জেলাশাসকের আসনের পাশে থাকার কথা জেলা সভাধিপতির। কিন্তু এদিন কাজল শেখ ঢুকে দেখেন, জেলাশাসকের একদিকে পুলিশ সুপার, আরেকদিকে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। অর্থাৎ তাঁর পাশে সভাধিপতির জন্য কোনও চেয়ার নেই। তা দেখেই কাজল শেখ বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান। তিনি বলেন, “বৈঠক থেকে কেন বেরিয়ে গেলাম জেলাশাসককে জিজ্ঞাসা করুন।” অন্যদিকে বৈঠক শেষে বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, “পূর্বপল্লির মাঠেই এবছর হচ্ছে পৌষ মেলা। রাজ্য সরকার এই মেলার আয়োজন করলেও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট থাকবে এই মেলা কমিটিতেই।” আর এই খবর জানতে পেরে স্বভাবতই খুশি পর্যটক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, হস্তশিল্পী ও বোলপুর-শান্তিনিকেতনের বাসিন্দারা।
[আরও পড়ুন: প্রথমবার লড়েই রাজস্থানের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল, কে এই রাজনীতিক?]
সর্বশেষ খবর
-
খাওয়া দাওয়া থেকে বংশবৃদ্ধি! বিশেষ কৃত্রিম কোষ বানিয়ে চমক বিজ্ঞানীদের
-
‘আমেরিকাকে হাঁটু গেড়ে বসিয়েছে ইরান’, খামেনেইর শেষকৃত্যে যোগ দেওয়া ভারতীয় সন্ন্যাসীর মন্তব্য ভাইরাল
-
টাকার বিনিময়ে নেতিবাচক প্রচার! ‘নেভারমাইন্ড’ নিয়ে ঝিলমের বক্তব্যে বিস্ফোরক রূপসা
-
বছর কয়েক প্রেমের পর আমিরকে বিয়ে, ধর্ম বদলালেন গৌরী?
-
মন্দিরের সেবায় রোবট হাতি! কেরলে প্রাণীর অধিকার বাঁচাতে ঐতিহ্য বনাম প্রযুক্তির লড়াই