Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Operation

জরায়ুতে ৭ কেজি ওজনের টিউমার! সফল অস্ত্রোপচারে মহিলার প্রাণ বাঁচালেন কালনার চিকিৎসকরা

শান্তিপুরের বছর একচল্লিশের মহিলা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নিয়ে ভরতি হন হাসপাতালে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৩, ১১:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৩, ১১:২৯

options
link
জরায়ুতে ৭ কেজি ওজনের টিউমার! সফল অস্ত্রোপচারে মহিলার প্রাণ বাঁচালেন কালনার চিকিৎসকরা zoom
ছবি: প্রতীকী

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: একটি কিডনি জন্ম থেকেই ছোট ছিল। তার উপর শরীরের অন্যান্য অঙ্গে অত্যধিক যন্ত্রণা ও অতিরিক্ত রক্তপাতে জীবন হয়ে উঠেছিল দুর্বিসহ। তাই সুখী জীবনেও নেমে এসেছিল যন্ত্রণাময় জীবন। বড়সড় ওজনের জরায়ু টিউমারের (Tumour) জটিল অপারেশনে সফলতা পেয়ে নতুন জীবন পেলেন ভিন জেলার বাসিন্দা রিঙ্কু দেবনাথ নামের এক মহিলা। কালনার (Kalna) এক নার্সিংহোমে দুই চিকিৎসকের এই অপারেশনে জীবন ফিরে পেয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান ওই বধূ ও তার পরিবার।

রোগীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্রণা ও অতিরিক্ত রক্তপাতের উপসর্গ নিয়ে কালনা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় থাকা এক নার্সিংহোমে মঙ্গলবার ভরতি হন নদিয়ার শান্তিপুর (Santipur) থানার বাধানগাছি গ্রামের বাসিন্দা রিঙ্কু দেবনাথ। তিন সন্তানের মা, ৪১ বছর বয়সী ওই মহিলার শারীরিক পরীক্ষা করে জানা যায়, জরায়ুতে (Overy) বড়সড় আকারের টিউমার রয়েছে। বাড়ে উদ্বেগ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মোকা’র পর এবার ‘তেজ’! চলতি মাসেই নতুন ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দপ্তর]

এরপর ওইদিনই কালনার নার্সিমহোমের দুই চিকিৎসক ডাঃ অভয়চাঁদ নাগ ও তার সহকারী ডাঃ দেবশ্রী সরকার ওই মহিলার অপারেশন করেন। সফল হয় অস্ত্রোপচার। ডাঃ অভয়চাঁদ নাগ জানান, “ওই মহিলার জরায়ুতে ৭ কেজি ওজনের একটি বড়সড় টিউমার ছিল। সাফল্যের সঙ্গে সেই অপারেশনটি করা হয়। এটি না করলে ওই মহিলার জীবনহানি পর্যন্ত হতে পারত।” তিনি আরও জানান, “অপারেশনটি খুবই জটিল ছিল। কারণ, ওই মহিলার ডানদিকের কিডনিটি জন্মগতভাবে ছোট ছিল। সেইভাবে কাজ করত না। তার পরিবারও সেভাবে সব জানত না। ওষুধেও কোনও কাজ করছিল না। এছাড়াও রক্তপাত হচ্ছিল প্রচুর পরিমাণে। সফল অপারেশনের পর এখন রোগী স্থিতিশীল রয়েছেন।” 

[আরও পড়ুন: ‘কেরালা স্টোরি দেখে…’ লাগাতার ধর্ষণ-ধর্মান্তকরণের চাপ প্রেমিকাকে, FIR দায়ের মডেলের]

মহিলার ছেলে প্রবীর দেবনাথ বলেন, “ছ’মাস আগে থেকেই মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। শরীরে রক্ত কমে গিয়েছিল। হিমোগ্লোবিনের পরিমাণও কমে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ এই অপারেশনের পর মা নতুন জীবন পেল। অসংখ্য ধন্যবাদ চিকিৎসকদের।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.