দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা সোমবার পর্যবেক্ষণ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। হুগলির চণ্ডীতলা ১, চণ্ডীতলা ২ ও জাঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর সাংসদ বলেন, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে চাষের বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। এরপরই বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। বিজেপিকে নিজের বক্তব্যে কার্যত তুলোধোনা করেন তিনি।
বর্তমান এই পরিস্থিতিতে নাম না করে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল পশ্চিমবঙ্গকে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি ভেবে নিয়েছে। মানুষের এই অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে তারা অশান্তি পাকানোর জন্য ইন্ধন দিচ্ছে। চাষের ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বহু বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। সেদিকে ওদের ভ্রুক্ষেপ নেই।’
[ আরও পড়ুন: লকডাউনে মেলেনি শ্রমিকদের বেতন বা অগ্রিম, চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ বেসরকারি কারখানাগুলিতে ]
এদিন সামগ্রিক ক্ষতি নিয়ে চণ্ডীতলায় প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বলেন, ‘যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জাতি, ধর্ম, বর্ণ, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে ত্রাণ বন্টন করা হবে।’ এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, সাংসদ এদিন তিন জায়গায় বৈঠক করেন। দুর্যোগের পর চাষের ক্ষেত্রে, বাড়ির ক্ষেত্রে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা লিপিবদ্ধ করেন তিনি। কীভাবে মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো হবে, তারও একটা নির্দেশিকা সাংসদ দিয়েছেন।
[ আরও পড়ুন: আমফানের পর এখনও বিদ্যুৎহীন বহু গ্রাম, মোবাইল চার্জ করে দিয়েই প্রচুর আয় দোকানিদের ]
সর্বশেষ খবর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!
-
‘পদে পদে বাধা দিত আগের সরকার’, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ দেখে তৃণমূলকে তোপ রেলমন্ত্রী বৈষ্ণবের
-
‘গিলগিট-বালটিস্তান ভারতের অংশ’, অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচনের মাঝেই পাকিস্তানকে কড়া বার্তা নয়াদিল্লির