সুবীর দাস, কল্যাণী: হাতে মাত্র চারমাস! হ্যাঁ! কল্যাণী আইটিআই মোড়ের লুমিনাস ক্লাবের জন্য চারমাসের সময় যেন অনেক কম! তাই প্রায় ১২০দিন আগে দুর্গাপুজোর কাজ শুরু করল এই ক্লাব। বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভলগ্নে খুঁটিপুজোর মাধ্যমে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করল এই ক্লাব। এবারে এই ক্লাবের আয়োজন কী? কোন থিমে চমকে দেবে তাঁরা?
৩৩ তম বর্ষে এই কল্যাণী লুমিনাস ক্লাব দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে চলেছে মায়ানমারের বৌদ্ধ মন্দির শোয়েডাগন প্যাগোডা। গোটা মাঠজুড়ে গড়ে উঠবে এই মন্দিরটি। যার উচ্চতা হবে ১৪০ ফুট, চড়াও হবে ১৫০ ফুট। ধবধবে সাদা মণ্ডপকে ফুটিয়ে তুলতে থাকবে ফাইবারের কাজ। শুধু মণ্ডপ নয়, চমক থাকছে প্রতিমাতেও। দেবীর গয়না চোখ ধাঁধিয়ে দেবে দর্শনাথীদের দাবি ক্লাব কর্তাদের।
পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য অরূপ মুখ্যোপাধ্যায় বলেন, “কল্যানী আইটিআই মোড়ের লুমিনাস ক্লাব ও ব্যবসায়ী সমিতির দুর্গা মণ্ডপের উচ্চতা বিশেষ আকর্ষণ। তাই এবারের থিমেও তা ধরে রাখা চিন্তাভাবনাই করা হয়েছে।” গত বছরে তাঁদের মণ্ডপ সজ্জা ও মাতৃ প্রতিমা দর্শনে প্রায় ৩৫ লক্ষ দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়েছিল বলে দাবি পুজো কমিটির। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে অনুমান তাঁদের।
কল্যাণী আইটিআই মোড়ের মণ্ডপ বেশ কয়েকবছর ধরে করে আসছে সরকার ডেকরেটার্স। এবারও তারাই মণ্ডপ তৈরি করছে। সরকার ডেকরেটার্সের কর্ণধার উইলিয়াম সরকার জানিয়েছেন, “আজ থেকেই শুরু হয়ে গেল মণ্ডপ তৈরির কাজ। প্রত্যেক বছর শুরুতে অল্প শ্রমিক কাজ করলেও, দিন যত এগোতে থাকে তত শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ানো হয়। সাদা ধবধবে এই মণ্ডপ তৈরিতে ব্যবহার করা হবে বিভিন্ন সাইজের পাটকাঠি, প্লাই, ফাইবার, রং, বার্নিশ। মণ্ডপের ভিতরে থাকবে হস্তশিল্পের কাজ।” প্রত্যেক বছরের মতো এবছরেও মহালয়ের পূণ্য লগ্নে এই মণ্ডপের শুভ উদ্বোধন হবে। এবং তারপরই দেবীপক্ষের শুরুতেই দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে এই দুর্গা মণ্ডপের প্রবেশদ্বার।
সর্বশেষ খবর
-
স্বাধীনতা আন্দোলনে কমিউনিস্টদের ভূমিকা বহুমাত্রিক, ‘দেশদ্রোহী’ তকমা মুছে বিজেপিকে বার্তা সিপিএমের
-
সাগরের নোনা জলে সাহেব-সুস্মিতার রোম্যান্স! প্রেমচর্চা উসকে ছুটির মুডে ‘কথা’ জুটি
-
প্রীতিকে পেয়েও সুধাকে ভোলেননি ‘মুসাফির ক্যাফে’র চন্দর, বাস্তবে বিক্রান্তের দাম্পত্য সুখের চাবিকাঠি কী?
-
সমস্যা জানাতে হয়রানি নয়! সরকারি দপ্তরেই ‘জনতার দরবার’, দিনক্ষণ জানাল নবান্ন
-
নেপালে নিখোঁজ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ কর্মী, প্রলয়ে তৈরি নয়া হ্রদে বিপদের শঙ্কা, মৃত ৭৬৮
