Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kartik Maharaj

রাজ্য পুলিশে আস্থা নেই! ‘সন্ন্যাসী’ বিতর্কের মাঝেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি কার্তিক মহারাজের

কার্তিক মহারাজ স্পষ্ট জানালেন, জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে যা হয়েছে তার পর তিনি আতঙ্কে রয়েছেন। তবে রাজ্য পুলিশের উপর তাঁর আস্থা নেই। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৪, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৪, ১৪:১১

options
link
রাজ্য পুলিশে আস্থা নেই! ‘সন্ন্যাসী’ বিতর্কের মাঝেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি কার্তিক মহারাজের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘সন্ন্যাসী’ বিতর্ক নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। এরই মাঝে এবার আশ্রমিকদের জন্য কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি জানালেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। স্পষ্ট জানালেন, জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে যা হয়েছে তার পর তিনি আতঙ্কে রয়েছেন। তবে রাজ্য পুলিশের উপর তাঁর আস্থা নেই। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তোপ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানো, গত কয়েকদিন ধরে সংবাদ শিরোনামে কার্তিক মহারাজ(Kartik Maharaj)। জল গড়িয়েছে অনেকদূর। এরই মাঝে জলপাইগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনে তাণ্ডব চালিয়েছে জমি মাফিয়ারা। রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের তরফে ভক্তিনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জলপাইগুড়ি আশ্রমের সম্পাদক স্বামী শিবপ্রেমানন্দ। এদিন রামকৃষ্ণ মিশনের কথা উল্লেখ করেই আতঙ্ক প্রকাশ করলেন কার্তিক মহারাজ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক, নিত্যসঙ্গী অভাব! সন্দেশখালির রেখার সম্পত্তি কত?]

ঠিক কী বলেছেন কার্তিক মহারাজ? তাঁর কথায়, জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে যা ঘটেছে তার পর থেকে ভারত সেবাশ্রম সংঘের সকলেই প্রবল আতঙ্কে রয়েছেন। কিন্তু রাজ্য পুলিশের উপর তাঁদের ভরসা নেই। সেই কারণেই ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আবারও দাবি করেছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কার্তিক মহারাজের নাম করে তাঁকে আক্রমণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, “ভারত সেবাশ্রম সংঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু যে লোকটা বলে, তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্ট বসতে দেব না, সেই লোকটাকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তার কারণ, সে ‘ডাইরেক্ট পলিটিক্স’ করে দেশটার সর্বনাশ করছে।” এদিকে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মোদি। পরবর্তীতে আইনের দ্বারস্থ হন কার্তিক মহারাজ। তার পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে আক্রমণ করেন। এমনকী মুর্শিদাবাদের অশান্তির নেপথ্যে তিনিই ছিলেন বলে দাবি করেছেন।

[আরও পড়ুন: CCTV ফুটেজ বাজেয়াপ্তর পর এবার স্বাতীর পোশাক পাঠানো হল ফরেনসিক তদন্তে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.