স্টাফ রিপোর্টার : নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে এসে নয়। সব বাম কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে শাসকদল তৃণমূল ও বিজেপির মোকাবিলা করতে হবে বুথে বুথে। তুলে ধরতে হবে বামপন্থাকেই। বৃহস্পতিবার এই তাৎপর্যপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবশ্য কোনওরকম আক্রমণ করেননি। সমালোচনা করলেও তৃণমূলের নামও উচ্চারণ করেননি। বলছেন, “শাসক দলকে যেমন পরাস্ত করতে হবে, তেমনই বিজেপির জয়ের কলঙ্ক থেকে পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত রাখতে হবে।”
[ ইস্তাহারে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি নয়, রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আরজি মুখ্যমন্ত্রীর ]
দীর্ঘ অসুস্থতা। সরে দাঁড়িয়েছেন পার্টির সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে। কিন্তু দেখা গেল মন তাঁর পড়ে অাছে রাজনীতিতেই। প্রায় অাড়াই বছর পর মুখ খুললেন এমন একটা সময় যখন শাসকের বিরুদ্ধে একাধিপত্যের অভিযোগ, অাবার প্রধান বিরোধী দলের তকমা চলে যাচ্ছে বিজেপির দিকে। বস্তুত, তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে পরপর দু’দিন পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা। গত মঙ্গলবার এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জ্যোতিবাবুর সঙ্গে বুদ্ধবাবুরও কার্যত প্রশংসা করতে দেখা যায় তাঁকে। এদিন প্রাক্তনকেও দেখা গেল নীরব। বোঝা যাচ্ছে, সম্পর্কের বরফ গলছে।
[ রাজ্যের প্রস্তাব মানল কমিশন, পঞ্চায়েত ভোট ১৪ মে ]
মনোবল ভেঙে যাওয়া পার্টি কর্মীদের উজ্জীবিত করতেই এদিন বুদ্ধবাবুকে বিবৃতি দিতে হয়েছে তা বোঝা গেল। তিনি বলেন, “গত ছ’মাস অামি গৃহবন্দি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে অামি মাঠে ময়দানে যেতে অক্ষম। বিগত কয়েকদিন ধরে পার্টি কর্মী, পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থীও তাঁদের পরিবারগুলির উপর অাক্রমণ করে তাঁদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এতে অামি উদ্বিগ্ন এবং সেহেতু এই বিবৃতি।” বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “পঞ্চায়েতের উপর জনগনের কতৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এই লক্ষ্যে অামার অাবেদন অামাদের পার্টির সমস্ত কর্মী এবং বাম শিবিরের সব সমস্ত কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হোন। জনসাধারণের কাছে অামাদের পৌঁছতেই হবে, এবং তা নির্বাচন থেকে সরে এসে নয়।” প্রসঙ্গত, বুধবার বামফ্রন্টের বৈঠকে শরিক দল অারএসপি পঞ্চায়েত ভোট বয়কটের দাবি জানিয়েছিল। তবে সেই দাবি সঙ্গে সঙ্গে খারিজ করে দেন বিমান বসু। তাঁর দলের নেতারা যখন তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করছেন, সেই সময় বুদ্ধবাবু এদিন বিঁধেছেন বিজেপিকেও। তিনি বলেছেন, “অাক্রমণ, সন্ত্রাসকে রুখে জনগণকে নিয়েই এগোতে হবে। এর জন্য এ রাজ্যের শাসকদলকে যেমন পরাস্ত করতে হবে তেমনই বিজেপির জয়ের কলঙ্ক থেকে পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত রাখতে হবে।” বাম কর্মীদের প্রতি বুদ্ধবাবুর অাবেদন,“প্রতিটি কেন্দ্রে, প্রতিটি বুথে জনসমর্থনকে শক্ত জমির উপর দাঁড় করান।”
[ পঞ্চায়েত হিংসা নিয়ে দিল্লিতে দরবার রাজ্য বিজেপির ]
সর্বশেষ খবর
-
অগ্নিমিত্রার অনস্পট অ্যাকশন! আসানসোলে ফুটপাত দখল-অবৈধ পার্কিং রুখতে ধমক মন্ত্রীর, বাসে লাগালেন কাঁটা
-
লোহার সিন্দুকে সোনার গয়না রাখা ঘোর অশুভ! কারণ জানলে চমকে উঠবেন
-
আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিকে ক্লিনচিট! ঘুরিয়ে অভিযোগকারী মিশরকে তোপ ফিফার, শাস্তি পাবেন কোচ?
-
সল্টলেকের বিজেপি দপ্তরে সুখেন্দুশেখর-প্রকাশ চিক বরাইক-সুস্মিতা, ফের রাজ্যসভায়?
-
‘মুক্তোর মালা’য় ভারতকে ঘিরছে চিন! ‘সাগরমালা’য় পালটা চক্রব্যূহ ভারতের