Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kharagpur

চুরি ঠেকাতে রাতে বাবার দোকানেই ঘুম, অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক মৃত্যু ছেলের

মনে করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৯:০৪

options
link
চুরি ঠেকাতে রাতে বাবার দোকানেই ঘুম, অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক মৃত্যু ছেলের zoom
নিজস্ব ছবি

অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: চুরি ঠেকাতে দোকনেই ঘুমাতেন বাড়ির বড় ছেলে। এবার সেই দোকানেই পুড়ে মৃত্যু হল তাঁর। ঘটনায় স্তম্ভিত পরিবার। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য।

রবিবার সকালে দোকানের ভেতর ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার গভীর রাতে খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার কালিয়াড়া দুই নম্বর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের হরিণা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম অভিজিৎ মন্ডল। তাঁর বয়স ২২ বছর।

Advertisement

এদিকে বাড়ির বড় ছেলের এরকম মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গোটা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গোটা গ্ৰাম শোকস্তব্ধ। জানা গিয়েছে খড়গপুর দুই নম্বর ব্লকের কালিয়াড়া দুই নম্বর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের হরিণা এলাকায় এই যুবকের বাবা অশোক মন্ডলের একটি ভূষিমাল দোকান রয়েছে। বাড়ি থেকে আধ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই দোকান এখন বাড়ির বড় ছেলে অভিজিৎ চালাতেন।

জানা গিয়েছে, আগে এই দোকানে দু’বার চুরি হয়েছিল। তাই, চুরি ঠেকাতে গত দুই বছর ধরে তিনি রাতে দোকানে ঘুমাতেন। প্রতিদিনের মত শনিবার রাতেও বাড়ি থেকে খাওয়া দাওয়া করে দোকানে শুতে চলে যান তিনি। দোকানের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাত দেড়টা নাগাদ আশপাশের লোকজনের নজরে পড়ে দোকান থেকে আগুন বেরোচ্ছে। খবর পেয়ে পরিবারের সকলে ছুটে যান। স্থানীয় মানুষজন-সহ পরিবারের লোকজন বালতিতে করে জল এনে ঢালতে থাকেন। আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।

এরমধ্যেই খবর দেওয়া হয় খড়গপুর গ্ৰামীণ থানা এবং দমকলের কাছে। খবর পেয়ে পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। সঙ্গে আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন। প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় দমকল আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারপরেই ভস্মীভূত হয়ে যাওয়া দোকানের ভেতরে ঢুকে দগ্ধ অভিজিতের দেহ উদ্ধার করা হয়। রবিবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হলেও উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মৃত যুবকের ভাই অমিত মন্ডল বললেন, “বুঝতে পারছি না আগুন কিভাবে লাগলো।” তবে মনে করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। কারন আগুন যখন লেগেছিল তখনও দোকানের ভেতর মেইন সুইচ চালু ছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.